সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ : আপিল বিভাগ ধর্মপাশায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের জায়গা স্থানীয়দের দখলে সুনামগঞ্জ-২ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ঘোষণা অগ্রাধিকার প্রকল্পে বৈষম্য : জনমনে ক্ষোভ শান্তিগঞ্জ মডেলের উদ্ভাবক ইউএনও সুকান্ত সাহাকে সংবর্ধনা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়, আমাদের সম্পদ : জেলা প্রশাসক শহরে প্রতারক চক্র সক্রিয় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল গ্রাম আদালত কার্যক্রমে সফলতা টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ’ বাস্তবায়নে অংশীজন কর্মশালা' এখনো সার্ভে শেষ হয়নি, গঠিত হয়নি পিআইসি নির্বাচনে পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে : পুলিশ সুপার ভাটির জনপদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব : তোফায়েল আহমেদ খান জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নামছে পুলিশ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আশিক নূর গ্রেফতার ধোপাজানের বালু লুটে নতুন কৌশল! খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

তিন বছরেও শেষ হয়নি খাসিয়ামারা সেতুর কাজ, দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ

  • আপলোড সময় : ২৫-১১-২০২৫ ১২:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১১-২০২৫ ০১:৪২:০০ পূর্বাহ্ন
তিন বছরেও শেষ হয়নি খাসিয়ামারা সেতুর কাজ, দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ
আশিস রহমান ::
তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুরে খাসিয়ামারা নদীর ওপর সেতু নির্মাণা কাজ। ফলে প্রতিদিনই রশি টেনে খেয়া নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষার্থী, নারী-শিশুসহ সাধারণ যাত্রীরা। এলাকার মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়লেও সেতুর কাজের অগ্রগতি নেই বললেই চলে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ৫০০ মিটার চেইনেজে ৭৫ মিটার পিসি গার্ডার সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আলীপুর-টেংরাটিলা খেয়াঘাটে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কাজের গতি ছিল ঢিমেতালে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদার দুই দিন কাজ করলে দুই মাস কাজ বন্ধ রাখেন। কখনো আরও দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকে। বর্তমানে প্রায় ছয়মাস ধরে সব ধরনের কাজই বন্ধ রয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।
আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে খেয়া দিয়ে পারাপার হচ্ছি। বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। সেতুর কাজ কখন শেষ হবে - সে বিষয়ে কেউ কোনো জবাব দিতে পারে না।
একই গ্রামের গৃহিণী ফারজানা আক্তার সেতু বলেন, খুব কষ্ট করে খেয়া পার হতে হয়। বৃষ্টি হলে বা নদীতে স্রোত থাকলে আরও ভয় লাগে। কতদিন এভাবে চলবে আমরা জানি না।
টেংরা হাইস্কুলের শিক্ষার্থী তুষার বলেন, ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় সবসময় ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। বর্ষাকালে যখন স্রোত বেশি থাকে তখন এদিক দিয়ে যেতে খুব ভয় লাগে। সবসময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা কাজ করে।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার এলজিইডির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় ব্রিজের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কাজ বন্ধ না রাখলে আরো দুই বছর আগেই ব্রিজের কাজ শেষ হয়ে যেতো।
এবিষয়ে ঠিকাদার শংকর বাবুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
সুনামগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, ঠিকাদারের সাথে আলাপ হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্রিজের কাজ পুনরায় শুরু হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স