সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

সুষ্ঠু নির্বাচনই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ

  • আপলোড সময় : ০৭-১১-২০২৫ ০৯:০২:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-১১-২০২৫ ০৯:০২:২০ পূর্বাহ্ন
সুষ্ঠু নির্বাচনই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ
দেশের নির্বাচনকে ঘিরে যখন মাঠে উত্তেজনা বাড়ছে, প্রার্থী ঘোষণা-পর্ব শেষ হতেই নানা এলাকায় সংঘাতের খবর মিলছে - ঠিক সেই সময় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন- দেশের জনগণ যেমন চায়, সেনাবাহিনীও চায় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এটিই দেশের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। এই বক্তব্য নিছক আনুষ্ঠানিক মন্তব্য নয়; বরং মাঠে গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী যে কঠিন দায়িত্ব পালন করেছে তার বাস্তব অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ। তাদেরকে এবার দীর্ঘ সময় মাঠে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এটি একদিকে সেনাবাহিনীর নিজস্ব প্রশিক্ষণ কাঠামোকে ব্যাহত করেছে, অন্যদিকে প্রমাণ করেছে- বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতি নষ্ট হলে সামরিক বাহিনী কী ধরনের বাড়তি চাপের মুখে পড়ে। এখন প্রশ্ন- এই অবস্থার পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব? উত্তর একটাই- বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন। কারণ নির্বাচনের বৈধতা, গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ছাড়া রাজনৈতিক স্থিতি নিশ্চিত হয় না। এই স্থিতি ছাড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়, বিনিয়োগ আসে না, মানুষের আস্থা তৈরি হয় না। আর যখন আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, তখন শুধু সেনাবাহিনী নয়, গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকেই অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। অতএব সেনাবাহিনী শুধু দায়িত্ব পালন করছে না - একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি আস্থার কথা বলছে। এই জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোকে স্মরণ রাখতে হবে নির্বাচন প্রতিযোগিতা নয়, নির্বাচন আস্থার প্রতিযোগিতা। দলগুলোর প্রতিযোগিতা ভোটে; কিন্তু আস্থার প্রতিযোগিতা জনগণের কাছে। সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নির্বাচন কমিশনের। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যে রূপরেখা দিয়েছে এখন তা বাস্তবায়নই প্রধান কাজ। আমরা মনে করি, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয় - এটি দেশের স্থিতি, বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ধারণ করবে। সেনাবাহিনীর ভাষায়- সঠিক নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আর সেই স্থিতিশীলতাই আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। দেশের উত্তপ্ত রাজনীতিকে ঠা-া করতে, জনগণকে আস্থায় ফিরিয়ে আনতে, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে- ‘বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন’ই একমাত্র পথ। এই পথেই চলুক বাংলাদেশ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স