সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ , ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ : আপিল বিভাগ ধর্মপাশায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের জায়গা স্থানীয়দের দখলে সুনামগঞ্জ-২ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী ঘোষণা অগ্রাধিকার প্রকল্পে বৈষম্য : জনমনে ক্ষোভ শান্তিগঞ্জ মডেলের উদ্ভাবক ইউএনও সুকান্ত সাহাকে সংবর্ধনা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়, আমাদের সম্পদ : জেলা প্রশাসক শহরে প্রতারক চক্র সক্রিয় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত : যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল গ্রাম আদালত কার্যক্রমে সফলতা টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ’ বাস্তবায়নে অংশীজন কর্মশালা' এখনো সার্ভে শেষ হয়নি, গঠিত হয়নি পিআইসি নির্বাচনে পুলিশ শতভাগ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে : পুলিশ সুপার ভাটির জনপদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব : তোফায়েল আহমেদ খান জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নামছে পুলিশ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আশিক নূর গ্রেফতার ধোপাজানের বালু লুটে নতুন কৌশল! খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে : সেনাবাহিনী

  • আপলোড সময় : ০৬-১১-২০২৫ ০৮:২৬:০৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-১১-২০২৫ ০৮:২৬:০৮ পূর্বাহ্ন
নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে : সেনাবাহিনী
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: দেশের জনগণ যেমন চায়, সেনাবাহিনীও চায় সরকার ঘোষিত রূপরেখা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। রূপরেখায় নির্ধারিত সময়সীমাও রয়েছে। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেনাবাহিনীও ব্যারাকে ফিরে যেতে পারবে। বুধবার দুপুরে সেনাসদরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সেনাসদরের ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুল রহমান এসব কথা বলেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুল রহমান বলেন, সরকার যে রূপরেখা ঘোষণা করেছে, সেটির ভিত্তিতেই সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এখন সীমিত পরিসরে হলেও নির্বাচনের সময়ে সেনাবাহিনীর করণীয়কে কেন্দ্র করে এর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শান্তিকালীন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। কিন্তু গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করছে। প্রয়োজনে নির্বাচন ও নির্বাচনের পরবর্তী কিছু সময়েও এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখতে হতে পারে। ফলে সেনাবাহিনীর মূল প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বিঘœ ঘটছে। সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা আরও বলেন, যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা গত ১৫ মাস দায়িত্ব পালন করেছি, তা একেবারেই সহজ ছিল না। বাংলাদেশ এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি প্রতিদিন হয় না। তাই আমরাও চাই, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক এবং আমরা সেনানিবাসে ফিরে যাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ঘিরে প্রচারিত বিভিন্ন গুজব প্রসঙ্গে মাইনুল রহমান বলেন, গত ১৫ মাস সেনাবাহিনী অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেছে। এ সময় কিছু স্বার্থান্বেষী চক্র সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও সাজানো অপপ্রচার চালিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আমি আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সেনাবাহিনীর প্রধান ও সিনিয়র লিডারশিপের প্রতি শতভাগ অনুগত। যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন সেনাবাহিনী আরও ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল এবং ভ্রাতৃত্ববোধে দৃঢ়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুল রহমান বলেন, সেনাবাহিনী দেশের জনগণের সেনাবাহিনী; তাই জনগণের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দায়িত্ব সেনাবাহিনী পালন করে যাবে। দুদিন আগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরপরই কিছু এলাকায় উত্তেজনা ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস অধিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেনকে সাংবাদিকেরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্য সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করছে, ভবিষ্যতেও করবে। নির্বাচনকালীন সরকার কিংবা নির্বাচন পেছানোর গুঞ্জনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুর হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী এবং নির্বাচন কমিশন যে পরিপত্র দেবে, তার আলোকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কী হবে - সে প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান সাক্ষাৎ করেছেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। আইনশৃঙ্খলা যাতে স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করতে বদ্ধপরিকর। মনজুর হোসেন আরও বলেন, নির্বাচনের সময় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনাসদস্য মাঠে মোতায়েন থাকবে - যা এ যাবৎ সর্বোচ্চ। আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে জেলা, উপজেলা এমনকি আসনভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করার জন্য যা যা প্রয়োজন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তা করতে প্রস্তুত।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স