স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন ইজারাবিহীন ধোপাজান-চলতি নদী বালু-পাথর মহাল থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার ও বোমা মেশিন ব্যবহার করে বালু ও পাথর উত্তোলনের অভিযোগে ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম তদন্তকাজ সম্পন্ন করে ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ধারা ৬(৩), ১২ এবং একই আইনের ১৫(১) ধারার টেবিল ক্রমিক নং-১,৮ ও ১২ বিধানাবলি লঙ্ঘনজনিত অপরাধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সুনামগঞ্জ সদর জোনে এই চার্জশীট দাখিল করেন।
চার্জশীটে নাম আসা ১৫ জন আসামির মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়ার বাসিন্দা রাজিব মিয়া, গৌরারংয়ের মমিন মিয়া, হুড়ারকান্দার রমজান, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদের বাবুল মিয়া, সদর উপজেলার কাইয়ারগাঁওয়ের মকবুল হোসেন, ডলুরা এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, অভিযুক্তরা ধোপাজান-চলতি নদীর ইজারাবহির্ভূত নদীর পাড় কেটে বেআইনিভাবে বালু উত্তোলন করে এলাকার ভূমিরূপ, জীববৈচির্ত্র্য ও সামগ্রিক পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও মামলার বাদী মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় কর্তৃক ইজারাবিহীন ধোপাজান-চলতি নদী বালু-পাথর মহাল হতে বেআইনীভাবে ড্রেজার ও বোমা মেশিন দ্বারা নদীর বালু-পাথর উত্তোলন করার অপরাধে গত ২৭/০৯/২০২২ খ্রি. সুনামগঞ্জ সদর থানায় ৩৫ জন ও ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সুনামগঞ্জ সদর থানার মামলা নং: ৪৯/২০২২। তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা ২০২২ সালে ইজারাবহির্ভূত নদীর পাড় থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন/ছাড়পত্র ব্যতিত বেআইনীভাবে বালি উত্তোলন করে এলাকার ভূমিরূপ, জীববৈচিত্র্য ও এলাকার সার্বিক পরিবেশ বিনষ্টসহ প্রতিবেশের ক্ষতি সাধন করেছেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
ধোপাজানে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন
১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল
- আপলোড সময় : ০৫-১১-২০২৫ ০৭:৩৫:২৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-১১-২০২৫ ০৭:৩৯:২০ পূর্বাহ্ন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ