জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক সারা বছর
- আপলোড সময় : ০৩-১১-২০২৫ ০৮:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-১১-২০২৫ ০৮:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন
সুনামগঞ্জে অক্টোবর মাসে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযানের ফল ইতোমধ্যে বাজারে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। মাত্র এক মাসে ২১টি অভিযানে ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা - এই একটি তথ্যই বলে দেয়, আগে কতটা অপরাধ বিনা বাধায় ঘটত আর এখন কতটা নজরদারির আওতায় আসছে।
এই অভিযানগুলো জনগণের আস্থা ফেরিয়েছে - তা সাধারণ ক্রেতা-মহল্লার মানুষের মতামতেই প্রতিফলিত হয়েছে। শিশুখাদ্য থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে যারা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করত, ওজনে কারচুপি করত, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করে ইচ্ছামত দাম চাইত - তারা এখন আতঙ্কিত।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি বড় অর্জন অভিযানগুলো লাইভ করা। এতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে, অভিযোগ ও বিতর্ক কমেছে, গণআস্থা বেড়েছে। জনগণ এখন মনে করে, কেউ দাম বাড়িয়ে প্রতারণা করলে তারা বলতে পারবে- “আমাদের অধিকার আছে অভিযোগ করার।”
সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদের বক্তব্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও আশাব্যঞ্জক। তার কথায়- অভিযান শুধু ‘শো’ নয়, বরং বাজার নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের সুরক্ষা, সিন্ডিকেট ভাঙা এবং সচেতনতা তৈরির অংশ।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা, এই অভিযান হবে সারা বছর, নিয়মিত - এটাই সবচেয়ে বড় বার্তা। কারণ অভিযানের অস্থায়ী জোয়ারে এক মাসের জন্য ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়, কিন্তু বছরজুড়ে মনিটরিংই দীর্ঘমেয়াদে পরিবর্তন নিশ্চিত করবে।
সুনামগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যে পদক্ষেপ শুরু হয়েছে - তা দেশের অন্য জেলার জন্য উদাহরণ হতে পারে। অভিযানে নিয়োজিতদের প্রতি আমাদের আন্তরিক অভিবাদন। আমরা প্রত্যাশা করি - এই অভিযানের ধারাবাহিকতা সারা বছর বজায় থাকবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদকীয়