সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

কালো আইন বাতিল প্রসঙ্গে

  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৪ ০৯:২০:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৪ ০৯:২০:৩১ পূর্বাহ্ন
কালো আইন বাতিল প্রসঙ্গে
গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪) সুনামকণ্ঠের একটি উদ্ধৃত সংবাদপ্রতিবেদন থেকে কালো আইনের তালিকা হচ্ছে বলে জানা যায়। বলা হয়েছে, ‘সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ বাংলাদেশে বিদ্যমান সব কালো আইনের তালিকা করা হয়েছে এবং শিগগিরই এ সব কালো আইন বাতিল ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধন করা হবে। বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এই তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’ এই জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন ও সাধধুবাদ জানাই। সন্দেহ নেই, রাষ্ট্রসংস্কারের পরিপ্রেক্ষিতে এটি (কালো আইন বাতিল ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধন করা) একটি যুগান্তকর পদক্ষেপ হয়ে উঠতে পারে। আমরা মনে করি, ব্রিটিশ উপনিবেশিক আমলের উপনিবেশ শাসনের জন্য প্রণীত জনবিরোধী আইনগুলো বাতিল করে স্বাধীন দেশ পরিচালনার উপযোগী আইন প্রবর্তন করা উচিত ছিল ১৯৪৭ সালের পরেই। কিন্তু ক্ষমতালোভী রাজনীতিকদের শ্রেণিস্বার্থ রক্ষার্থে আইন পরিবর্তনের কোনও চেষ্টা কখনওই করা হয় নি। তা করা হলে, সত্যিকার অর্থেই রাষ্ট্রকে বিমানবিক প্রবণতা থেকে মানবিকতার দিকে ফেরানো যেতো এবং এতোদিন পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রয়োজন হতো না। আমরা আশাবাদী আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার জনবিরোধী আইনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো প্রয়োজনে বাতিল ও সংশোধন করবেন, যে আইনগুলো রাষ্ট্রকে জনগণের উর্ধে প্রতিষ্ঠিত করে প্রকারান্তরে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে রাষ্ট্রের প্রভুত্বব্যঞ্জক আচরণের উর্বর ক্ষেত্র তেরি করে, ক্ষেত্রবিশেষে ব্যক্তি মানুষের বাকস্বাধীনতাকে পর্যন্ত প্রতিহত করে। এতে করে এক শ্রেণি অন্য শ্রেণির মানুষের উপর খবরদারি করার সুযোগ পায় এবং প্রকারান্তরে তাদেরকে শোষণ করে নিজেরা ধনী ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠে এবং পরিণতিতে সমাজে বিমানবিকতা চর্চার বিস্তার ঘটে, মানুষ পীড়নের প্রেক্ষিতে প্রতিবাদী হয়ে উঠত পারে না। রাষ্ট্র মানুষের ভেতরে উদ্ভূত বিমানবিকতার নিরসনে সচেষ্ট হবে এটাই শ্রেণিনির্বিশেষে সকল মানুষের সর্বাগ্রে কাম্য। অর্থাৎ রাষ্ট্র কখনওই মানুষের প্রভু হয়ে উঠবে না। মূর্তনির্দিষ্ট লক্ষ্যাণুসারে আইনের পরিবর্তন করেই কেবল রাষ্ট্রের ভেতরে বৈষম্যবিরোধী প্রবণতার নিরসন করা ও শ্রেণিনির্বিশেষের প্রভুত্বব্যবঞ্জকতাকে নির্মূল করা সম্ভব।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য