সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়াবার চালানসহ জুলাইযোদ্ধা হিমেল জনতার হাতে আটক ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন : দ্রুত সমাধান চাই

  • আপলোড সময় : ২৩-১০-২০২৫ ০৭:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-১০-২০২৫ ০৭:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন : দ্রুত সমাধান চাই
বিদ্যুতের সংকট এখন জনজীবনের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ১২টি উপজেলার মানুষ আজ চরম ভোগান্তিতে। প্রতিদিন গড়ে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ে যেন এক নিপীড়ন! ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এখন এমন নিয়মে পরিণত হয়েছে, যার ব্যতিক্রম খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। রাতের পর রাত অন্ধকারে কাটছে শিক্ষার্থীদের সময়। সামনে বার্ষিক পরীক্ষা, অথচ সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে আলো নেই। শহর থেকে গ্রাম-সবখানে একই চিত্র। দিনের বেলাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ অসহনীয় গরমে দিশেহারা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, চালকল মালিক, স্টেশনারি দোকানদার, খামারি, এমনকি সাধারণ চা দোকানদার পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংকটে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যানুযায়ী, সুনামগঞ্জে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার গ্রাহকের চাহিদা ৭০-৭৫ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৩৫-৪০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক ঘাটতি! জাতীয়ভাবে উৎপাদন কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের দুর্ভোগকে যেন কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না। অথচ এই বিদ্যুৎ সংকট শুধু একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, এটি এখন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বারবার “জাতীয় উৎপাদন কম” বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- বছরের পর বছর হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ভর্তুকি ও ‘লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ’-এর প্রতিশ্রুতিগুলো কোথায় হারিয়ে গেল? কেন এখনো বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় এমন দুর্বলতা? এখন প্রয়োজন দায়সারা বক্তব্য নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। জনগণ বিদ্যুতের অনুদান চায় না, তারা চায় ন্যায্য অধিকার - নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। সরকার যদি দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ না নেয়, তবে এই বিদ্যুৎ সংকট কেবল অর্থনীতিকেই নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের স্থিতিশীলতাকেও ভেঙে দেবে। বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এখন সময় এসেছে তার জবাবদিহি করার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ইয়াবার চালানসহ জুলাইযোদ্ধা হিমেল জনতার হাতে আটক

ইয়াবার চালানসহ জুলাইযোদ্ধা হিমেল জনতার হাতে আটক