সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

মাদকের কারবার ঠেকাতে হবে

  • আপলোড সময় : ২৯-০৯-২০২৫ ১২:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৯-২০২৫ ১২:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন
মাদকের কারবার ঠেকাতে হবে
সুনামগঞ্জ শহর ও শহরতলিতে মাদকের বিস্তার এখন আর আড়াল করার কিছু নেই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে যে অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্কুল ব্যাগে মাদক বহন - এই কৌশল নঃসন্দেহে সমাজের জন্য এক ভয়ংকর বার্তা। একদিকে শিক্ষার প্রতীক স্কুল ব্যাগ, অন্যদিকে সেই ব্যাগেই লুকিয়ে চলছে মৃত্যুবাণিজ্য - এ এক মর্মান্তিক বাস্তবতা। সুনামগঞ্জের শহরতলির জগন্নাথপুর, ধোপাখালী, হালুয়ারঘাট, ইব্রাহিমপুর, নবীনগর, ষোলঘর, উকিলপাড়া, সুরমা মার্কেটসহ বিভিন্ন নদীঘাট ও খেয়া নৌকাকে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদকের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। শুধু তাই নয়, শহরের বিভিন্ন মহল্লা, বাজার ও আবাসিক এলাকায় দিনের পর দিন মাদক বিক্রি হচ্ছে ওপেন সিক্রেটভাবে। এতে প্রমাণ হয়, মাদক কারবারিরা কতটা সংগঠিত এবং সাহসী হয়ে উঠেছে। আরও ভয়ঙ্কর বিষয় হলো- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কিছু ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও তাদের সহযোগীরা নির্ভয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি জেল থেকে বের হয়ে আবারও পুরনো ব্যবসায় ফিরছে অনেকে। এতে করে সাধারণ মানুষ মনে করছে, মাদকের শেকড় ইতোমধ্যেই আমাদের সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত হয়েছে। মাদক কেবল ব্যক্তিকে নয়, গোটা সমাজকে ধ্বংস করে। তরুণ প্রজন্ম আসক্ত হয়ে পড়ছে, বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, ভেঙে পড়ছে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন। দীর্ঘমেয়াদে মাদকের এই ভয়াবহ বিস্তার আমাদের জাতীয় উন্নয়নকেও হুমকির মুখে ফেলবে। এ অবস্থায় প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। শুধু পুলিশি অভিযান দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন - সবার সম্মিলিত উদ্যোগে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত প্রভাবশালী ও গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। আমাদের মনে রাখতে হবে, যদি আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী প্রজন্ম মাদকের অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স