সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

  • আপলোড সময় : ১৪-০৯-২০২৫ ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০৯-২০২৫ ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন
কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানের কথার মতোই পাখিশূন্য হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। যার কণ্ঠের সুবাদে এমন অসংখ্য গান প্রাণ পেয়েছিলো বিশ্বজুড়ে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে এই লোকশিল্পী মারা গেছেন। মৃত্যুকালে শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৭৩। তিনি স্বামী এবং ৪ সন্তান রেখে গেছেন। ফরিদা পারভীনের মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশীষ কুমার চক্রবর্তী। এই হাসপাতালেই শিল্পী লাইফ সাপোর্টে ছিলেন ১০ সেপ্টেম্বর থেকে। ১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে দেশাত্মবোধক গান গাইলেও ফরিদা পারভীনের পরিচয় গড়ে ওঠে লালনকন্যা হিসেবে। তার কণ্ঠে ‘মিলন হবে কত দিনে, অচিন পাখি’ গানগুলো আজও বাঙালির চেতনার অংশ হয়ে আছে। সংগীতে অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে একুশে পদক পেয়েছেন ফরিদা। জাপান সরকার তাকে কুফুওয়া এশিয়ান কালচারাল পদক দিয়েছে। ফরিদা পারভীন কেবল নিজের গান করেননি; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে লালনের গান শিখিয়েছেন। তার উদ্যোগে তোলা হয় অচিন পাখি স্কুল, যেখানে শিশুদের শেখানো হয় আধ্যাত্মিক শক্তির মর্ম ও গান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা