সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬ , ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিরাইয়ে পৃথক দুই সংঘর্ষে আহত ৪০ হাওর বাঁচাতে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে তোলপাড়

ধর্মপাশায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৬-০৯-২০২৫ ১২:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৯-২০২৫ ১২:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন
ধর্মপাশায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ
ধর্মপাশা প্রতিনিধি :: ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া ও সহকারী শিক্ষিকা সীমা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি পুরোনো বই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার দুধবহর গ্রামের বাসিন্দা আরিফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসী, বই ক্রেতা ও স্কুল সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া গত বৃহ¯পতিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতি কেজি পুরোনো বই ১৩টাকা দামে উপজেলার নোয়াবন্দ গ্রামের কিতাব আলীর (৬৫) কাছে বিক্রি করেন। ওইদিন বেলা ১টার দিকে ওই স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের কাছ থেকে ২৮০ কেজি এসব পুরোনো বই মেপে বুঝে নেনে ওই বই বিক্রেতা। ওইদিন বেলা ২টার দিকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির সামনের সড়কে ভ্যানগাড়ি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তায় মুড়ানো বই দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তারা ভ্যানগাড়ি ভর্তি সরকারি বইগুলো উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া দাবি করেন, পুরোনো বইগুলো থাকার কারণে স্কুলের অফিস রুমের ভেতরের পরিবেশটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই বইগুলো বিক্রি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা যে ভুলটা করেছি সেটি হলো ইউএনও স্যারকে বই বিক্রির বিষয়টি অবগত করিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ আমি পেয়েছি। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঘটনাটি তদন্ত করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আমার কাছে জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স