বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ
- আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ০১:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৫ ০১:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার ::
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে সামাদ মুন্সিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহরের মুক্তারপাড়স্থ একটি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তাহিরপুর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি হাজী শামসুল হক ও উপজেলার ১নং শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি মো. কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাজী শামসুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে হাজী শামসুল হক ও কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, আব্দুস সামাদ মুন্সি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে আসছেন। তার ছোট ভাই আব্দুল কুদ্দুসকে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক বানানোর জন্য তৎকালীন সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন সামাদ মুন্সি। এমপি রতন প্রায়ই সামাদের বাড়িতে মিটিং, খাওয়া-দাওয়া এবং থাকতেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, আব্দুল কুদ্দুস ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর নাশকতার একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলার ১নং সাক্ষী ছিলেন আব্দুল কুদ্দুস নিজেই। ওই মামলায় হাজী শামসুল হককে ১৪ নং আসামি করা হয়েছিল। ঐ রাতে পুলিশ কলাগাঁও মাঝহাটির মোড় থেকে ককটেল ফাটিয়ে কলাগাঁও মোড় হতে দুইজনকে গ্রেফতার করে। একই সাথে কামাল হোসেনকেও তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই মামলায় (নং- ১৭৩/২০২৪ইং তাহিরপুর) বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল ও আনিসুল হক সহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। এই মিথ্যা মামলায় হাজী শামসুল হককে সাড়ে চার মাস পালিয়ে থাকতে হয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে সামাদ মুন্সি ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে তাদের আনিত অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তারা বলেন, তদন্ত করলেই বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যাবে।
হাজী শামসুল হক বলেন, একজন আওয়ামী লীগের দোসর। বিএনপির মতো একটি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া উচিত নয়। তাই আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ স¤পাদক পদে সামাদ মুন্সির মনোনয়নপত্র বাতিল করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছি।
মো. কামাল হোসেন বলেন, সামাদ মুন্সি নির্বাচনে ভোট পাওয়ার জন্য লাখ লাখ টাকা বিলি করছেন। তার মনোনয়ন বাতিলের জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন জানিয়েছি। আশা করছি এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দায়িত্বশীলরা দেখবেন।
আবেদনের অনুলিপি তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব, সিলেট বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ও স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ