সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বেড়েছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ স্বচ্ছ ভোটের প্রত্যাশা আজ ভোটের লড়াই জয় পেতে মরিয়া জামায়াত, ছাড় দিতে নারাজ বিএনপি সারাদেশে ৮৭৭০ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বিজয় মালা কার গলে? হাসননগরে দিনমজুরের বসতভিটায় ‘রহস্যজনক’ অগ্নিকান্ড সুবিধাজনক অবস্থানে কলিম উদ্দিন মিলন বিএনপি’র বাধা বিদ্রোহী জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিএনপি প্রস্তুত : তারেক রহমান প্রচারের শেষ দিনে মুখর সুনামগঞ্জের ৫টি আসন ছাতক-দোয়ারাবাজারকে উন্নয়নসমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি জামায়াত বন্ধু নয়, তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি : নাছির চৌধুরী মোল্লাপাড়ায় জামায়াত প্রার্থী সামছ উদ্দিনের নির্বাচনী সভা শান্তিগঞ্জে পিতা-পুত্রের পিআইসি, পরিবারকেন্দ্রিক একাধিক কমিটি বাঁধ নির্মাণে অনিয়মে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি মৃত সুরঞ্জিত সেন আরো শক্তিশালী!

একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল

  • আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ভেতরে এখনও এমন একটি মহল সক্রিয় আছে যারা গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তারা চায় না গণতন্ত্রের শক্তি ক্ষমতায় আসুক। বুধবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। কোথাও কোনও বাধা সৃষ্টি করিনি। এমনকি বড় কোনও দাবি তুলেও সরকারকে বিপদে ফেলিনি। কিন্তু এখন কিছু রাজনৈতিক মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যাহত করতে নিত্যনতুন দাবি তুলছে। যেসব দাবি সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই অপরিচিত। তিনি বলেন, সংখ্যানুপাতিক ভোট প্রতিনিধিত্ব (পিআর), এটা বোঝানোই কঠিন। মানুষ কাকে ভোট দিলো, সেটি প্রতিফলিত হলো না সংসদে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি পাঁচ তারিখের পরই বলেছিলাম, তিন মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। তখন নতুন সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংস্কারের কাজ শুরু করতে পারতো। কিন্তু সময়ক্ষেপণের ফলে গণতান্ত্রিক শক্তির বদলে অন্যরা সুবিধা নিচ্ছে। তিনি বলেন, ইদানীং একটা বিষয় দেখে খারাপ লাগে, আজকালকার বেশির ভাগ মানুষ নষ্ট হয়ে গেছে। যেদিকে তাকাই সব প্রতিষ্ঠানেই খালি দুর্নীতি। সেদিন এক ব্যবসায়ী বলছিলেন, আগে যদি ১ লাখ টাকা দেওয়া লাগতো, এখন দেওয়া লাগে ৫ লাখ। আমাদের মননে যে পরিবর্তনটা আনার দরকার ছিল, সেটি হয়নি। রাজনৈতিক নেতারাও এসবের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। যেটা দেশের আরও বেশি ক্ষতি করছে। বাংলাদেশকে বাঁচানোর জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা দরকার। মির্জা ফখরুল বলেন, একাত্তরকে ভুলিয়ে দেওয়ার অনেক প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু তা সম্ভব নয়। কারণ আমরা আমাদের চোখের সামনে ভাইদের গলা কাটতে দেখেছি। যারা সেদিন সহযোগিতা করেছে, তারাই আজ বড় বড় কথা বলছে। আমাদের এখন অনেক বেশি সজাগ থাকতে হবে। যদি ভাবি সব ঠিক হয়ে গেছে, তাহলে এটা অনেক বড় ভুল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স