সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প

  • আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:০১:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ১০:০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প
স্টাফ রিপোর্টার::
সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ দেশের পাঁচ জেলার ১১ টি হাওরের বাঁধ সুরক্ষায় ২ হাজার ২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-র সঙ্গে আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। ‘হাওর এরিয়া রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (হার্ড) প্রজেক্ট ফেজ-২’ নামের এই প্রকল্প এই তিন জেলা ছাড়াও কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলায় বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ প্রকল্পের আওতায় ৪৫০ কিলোমিটার সাবমারসিবল বাঁধ নির্মাণ ও স্লোপ প্রটেকশন নির্মাণের করার পাশাপাশি ৭৭ কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখনন, ৫৮টি সেচ ইনলেট, ৫৮টি ফ্লাড ফিউজ এবং ২২টি ড্রেনেজ রেগুলেটর বা বক্স আউটলেট স্থাপন করা হবে। এছাড়া বিদ্যমান ছয়টি স্লুইচ গেট সংস্কার, নয়টি ধান মাড়াই ও শুকানোর মেঝে নির্মাণ এবং পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির জন্য আটটি অফিস স্থাপন করা হবে।
বুধবার ঢাকায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং জাইকার দক্ষিণ এশিয়া ডিভিশনের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর তেরুয়াকি ফুজি’র নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধি দলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, হাওর অঞ্চলের কৃষকদের ফসল রক্ষায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি আমাদের উন্নয়ন সহযোগী জাইকার আর্থিক সহায়তায় প্রাথমিকভাবে ১১টি হাওরে ডুবন্ত বাঁধ নির্মাণ হলে কৃষিক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। প্রকল্পটি হাওর এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রকল্পের মাধ্যমে প্রারম্ভিক আবহাওয়া সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু করা হবে, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের জন্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা হবে।
২ হাজার ২৪৮ কোটি ১২ লাখ টাকার এই প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ৫৮৪ কোটি ১২ লাখ টাকা (২৬ শতাংশ) এবং জাইকার প্রকল্প সহায়তা থাকবে ১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা (৭৪ শতাংশ)। ২০২৬ সালের মার্চে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স