সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ যাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি আজ সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি ভোরে পাচার হয় ধোপাজান নদীর লুটের বালু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে কঠোর পদক্ষেপ - জি কে গউছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ বিএনপির জাতিসংঘ অধিবেশন : ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নামমাত্র চারা লাগিয়ে বরাদ্দ লুটপাটের আয়োজন উকিলপাড়ার পুকুর যেন ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধ ও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা বিশ্বম্ভরপুরে হিজল বাগান উজাড়, কাটা হলো ৬২টি গাছ ছাতকে ফোরলেন সড়কের কাজ উদ্বোধন করলেন এমপি কলিম উদ্দিন মিলন ‎জামালগঞ্জে বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফারুকীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ দিরাইয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ অধ্যাপক ন্যাথানায়েল এডউইন ফেয়ারক্রস সরলতার ভুবনে সজ্জন মানুষ সার পাচারে জড়িত ডিলাররা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে নিষিদ্ধ জালে বিপন্ন দেশি মাছ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা নৃত্যম নৃত্যালয়ের নৃত্য কর্মশালা সম্পন্ন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শফিকুল বিচারের দাবিতে পরিবারের আর্তনাদ

  • আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৫ ১২:০৮:০৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৫ ১২:০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শফিকুল বিচারের দাবিতে পরিবারের আর্তনাদ
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত শফিকুল ইসলামের পরিবারের কান্না থামছে না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মানুষটিকে হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা।
‘ঘাতক’ বাসচালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের স্বজনরা।

শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের হালুয়ারঘাট গ্রামে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। লিখিত বক্তব্যে নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামী পরিবারের একমাত্র সম্বল ছিলেন। তাকে হারিয়ে আমরা আজ দিশেহারা। আমাদের নিজের কোন ঘরবাড়ি নাই। সুনামগঞ্জ শহরে আমরা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতাম। আমাদের কোন ছেলে সন্তান নেই। দুই মেয়ে ছিলো তাদের বিয়ে হয়ে গেছে, এখন আমাকে দেখাশোনা করার মতো কোন মানুষও নাই। আমি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, কার কাছে থাকবো। আমার স্বামীকে যে মেরেছে আমি সেই ঘাতক ড্রাইভারের উপযুক্ত শাস্তি চাই। একজন অসহায় নারী হিসেবে আমি সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।
নিহত শফিকুল ইসলামের বড় মেয়ে তাহমিনা আক্তার বলেন, ৬ আগস্ট মোবাইলে ফোনে একজন জানান আমার বাবা এক্সিডেন্ট করেছেন। পরে আমরা সদর হাসপাতালে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি সাংবাদিকদের জানাই। একটু পর খবর পাই আমার বাবা এক্সিডেন্ট করে ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। খবরটি শোনার পর আমরা কান্নায় ভেঙে পড়ি। পরে পুলিশ মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। বাবাকে হারিয়ে আজ আমরা এতিম হয়ে গেছি। এই ঘটনায় নিহত দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে আন্দোলন ও আলোচনা হলেও আমাদের পরিবারের খবর কেউ নিচ্ছে না। আমি এই ঘাতক ড্রাইভারের বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।

নিহত শফিকুল ইসলামের ছোট মেয়ের জামাই নাঈম ইসলাম বলেন, আমার শ্বশুর নিহতের পর থেকে এখন পর্যন্ত খোঁজ-খবরতো দূরে থাক কেউ এসে সান্তনাও দেয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে সুনামগঞ্জ জেলা বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সাথে যোগাযোগ করলেও তারা কোন সাড়া দেননি। স্থানীয় প্রশাসনও এগিয়ে আসেনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তিকে হারিয়ে এই পরিবারটি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে। আমি এই ঘাতক বাস ড্রাইভারের উপযুক্ত বিচার এবং এই পরিবারের পাশে সহযোগিতা নিয়ে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দুর রহমান, আবু মুসা, নিহত শফিকুল ইসলামের ছোট মেয়ে মমতাজ বেগম, বড় মেয়ের জামাই হেলাল মিয়া প্রমূখ। উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট দুপুরে সুনামগঞ্জের বাহাদুরপুর নামক স্থানে বাস-সিএনজি অটোরিকসা সংঘর্ষে শফিকুল ইসলামসহ ২ শিক্ষার্থী নিহত হন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ

ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ