সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে

  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১২:০১:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১২:০১:১৯ পূর্বাহ্ন
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে
শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় পৃথক দুটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনটি প্রাণ ঝরে গেছে, আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। এ খবর শুধু একটি দুঃখজনক ঘটনার বিবরণ নয়; বরং এটি আমাদের অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বহীনতা ও সড়ক নিরাপত্তার অভাবের প্রতিচ্ছবি। প্রতিনিয়তই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এভাবে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কার্যকর প্রতিকার দেখা যাচ্ছে না। শান্তিগঞ্জে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক ও চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। আর জগন্নাথপুরে এক তরুণ বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, বেঁচে থাকা দুই বন্ধু মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। এসব ঘটনার পেছনে অতিরিক্ত গতি, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লাইসেন্সবিহীন চালক এবং মহাসড়কে অব্যবস্থাপনা - সবকিছুই দায়ী। অহরহ দেখা যায়, সড়কে চলাচলকারী লেগুনা, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার অনেকগুলোরই লাইসেন্স নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, বা চালকের যথাযথ প্রশিক্ষণ নেই। আবার বেশিরভাগ দুর্ঘটনায় ‘দায়ী’ যানটি দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় বা চালককে খুঁজে পাওয়া যায় না। আইন প্রয়োগে এই ব্যর্থতা সড়ককে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। প্রকৃতপ্রস্তাবে, সড়ক দুর্ঘটনাকে ‘দৈব ঘটনা’ হিসেবে দেখার দিন শেষ। এখন প্রয়োজন পরিকল্পিত পদক্ষেপ। প্রতিটি দুর্ঘটনার বিচারিক তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা যায়। মহাসড়কে চলাচলরত সব যানবাহনের বৈধতা যাচাই, চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স নিশ্চিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নিয়মিতভাবে অভিযান চালানো যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- নাগরিকদের সচেতনতা। চালকদের যেমন ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলতে হবে, তেমনি যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে নিরাপদ ভ্রমণের ব্যাপারে। প্রতিটি দুর্ঘটনা আমাদের সচেতন করার জন্য একটি সতর্কবার্তা। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর মিছিল থামবে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি- জনগণের জীবন রক্ষায় উদ্যোগী হোন। কারণ, প্রতিটি প্রাণ অমূল্য।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স