সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা প্রস্তাবিত বাজেট অধিক ঋণনির্ভর, অবাস্তবায়নযোগ্য ও লুটপাটের : জামায়াত

নিষিদ্ধ জালে মাছের সর্বনাশ

  • আপলোড সময় : ২৪-০৭-২০২৫ ০৮:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৭-২০২৫ ০৮:২১:২৮ পূর্বাহ্ন
নিষিদ্ধ জালে মাছের সর্বনাশ
আব্দুল্লাহ আল মামুন ::
হাওরবেষ্টিত উপজেলা জামালগঞ্জে অসংখ্য ছোট বড় হাওর, নদী-নালা, খাল-বিল রয়েছে। এক সময় দেশীয় মাছের ভরপুর ছিল জামালগঞ্জ। রুই, কাতলা, চিতল, বোয়াল, শোল-গজার, কালি বাউস, ট্যাংরা, পাবদা, শিং-মাগুর ও বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছসহ অসংখ্য জীববৈচিত্র্যের ভান্ডার ছিল জামালগঞ্জ। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে হাওরের দেশীয় মাছ। অনেক প্রজাতির মাছ এরই মধ্যে বিলুপ্ত হয়েছে। আরো অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে।
স্থানীয়রা জানান, শুকনো মৌসুমে প্রতিবছর বিল শুকিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে হাওরের মৎস্য ও জীববৈচিত্র্য। তেমনি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছের সর্বনাশ করা হচ্ছে। জুলাই-আগস্ট পটপরিবর্তনের পরও বর্তমান সরকারের আমলেও ধারাবাহিকভাবে বিল শুকিয়ে মাছ আহরণ করা হয়েছে। উপজেলার ৭২টি বিল শুকিয়ে মাছ আহরণ করলেও কোথাও জব্দ করা হয়নি সেলু মেশিন, হয়নি কোন মোবাইল কোর্ট। এদিকে, বর্ষা মৌসুমে উপজেলার বড় দুটি হাওর হালি ও পাগনায় ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন চায়না দুয়ারী, নিষিদ্ধ কারেন্টজাল, কোণাজালসহ বিভিন্ন ধরনের জাল ও চাই দিয়ে অবাধে মাছের পোনা নিধন করা হচ্ছে। কোণা জাল দিয়ে মাছের পোনা নিধন করা হলেও হয়নি অভিযান। এখন পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কার্প জাতীয় চাষের মাছের উপর নির্ভর হাওরপাড়ের মানুষ। বর্ষায় যেখানে প্রতিটি হাট বাজারে দেশীয় মাছে ভরপুর থাকার কথা সেখানে রয়েছে সংকট। হাওরে পানি আছে; নেই শুধু মাছ।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানাযায়, জামালগঞ্জ উপজেলায় ২০ একরের নিচে ৪২ টি বিল যার আয়তন ১৫৬.৩০ হেক্টর ও বিশ একরের উপরে ৩৯ টি বিল যার আয়তন ১৯১১.৩০হেক্টর রয়েছে। ছোট বড় মোট ৮১ টি বিল রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. কামরুল হাসান (চলতি দায়িত্ব) বলেন, হেমন্তে কোথাও সেলু মেশিন দিয়ে জলমহাল শুকিয়ে মৎস্য আহরণ করতে দেখলে সাথে সাথে মেশিন বন্ধ করেছি । কয়েকটি বিলের ইজারাদারের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। ৭২টি বিল শুকিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরা ও পোনা মাছ নিধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মোবাইল কোর্ট করার কোন ক্ষমতা নেই। আমি এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে অবহিত করেছি। পোনা মাছ নিধনকারীদের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন

দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন