সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ
দোয়ারাবাজারে ছয় পরিবার আজও অন্ধকারে

বিদ্যুৎ খুঁটি উঠোনে, তবু ঘরে নেই আলো!

  • আপলোড সময় : ২১-০৭-২০২৫ ১১:২১:০৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৭-২০২৫ ১১:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন
বিদ্যুৎ খুঁটি উঠোনে, তবু ঘরে নেই আলো!
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী ::
দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের আগুনরায়ের গাঁও গ্রামের প্রতিটি ঘরে যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলছে, তখন একই গ্রামের ছয়টি পরিবার আজও অন্ধকারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অবাক করার মতো হলেও সত্য- যাদের উঠোন দিয়েই পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি ও বৈদ্যুতিক তার গেছে, তাদের ঘরেই নেই বিদ্যুৎ সংযোগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যুতায়নের প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও এই পরিবারগুলো এখনো সৌরবিদ্যুতের টিমটিম আলো, মোমবাতি কিংবা হ্যারিকেনের ওপর নির্ভর করেই রাত পার করছে। বর্ষার দিনে সৌরবিদ্যুতের আলো না থাকলে জীবন চলে কুপি বাতির কষ্টসাধ্য আলোয়। এই ছয়টি পরিবার টিনশেড ও আধাপাকা ঘরে বসবাস করেন। তারা বিদ্যুতায়নের কিছুদিন পর বসতভিটা গড়ে এখানে ঘর তোলেন। আশেপাশের অন্য ঘর থেকে তাদের ঘরগুলোর দূরত্ব মাত্র ৫০-৬০ মিটার হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি তারা। অথচ বিদ্যুৎ খুঁটি ও তার একই লাইনে থাকার পরও সংযোগ না মেলায় প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যুৎ বিতরণে ন্যায্যতা ও প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান বলেন, ৬-৭ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে ঘুরছি। কিন্তু কেউ বিদ্যুৎ দেয়নি। যারা এসেছিল, তারা বলেছিল ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা দিলে সংযোগ মিলবে। এত টাকা আমাদের মতো মানুষের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। একই এলাকার হনুফা বেগম বলেন,আমাদের উঠোন দিয়েই বৈদ্যুতিক খুঁটি গেছে, তারও গেছে, কিন্তু আলোটা যায়নি ঘরে। সন্ধ্যার পরে শিশুদের নিয়ে কষ্ট করে থাকতে হয়। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম বলেন,পাশের ঘরে বিদ্যুৎ আছে, অথচ আমাদের ঘরগুলো অন্ধকারে থাকে। লেখাপড়ার সময় অনেক কষ্ট হয়। রাতে প্রচন্ড গরমে ঘুমাতে পারি না, সন্ধ্যার পর লেখাপড়া করতে পারি না। এই বিষয়ে দোয়ারাবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম আব্দুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা আবেদন করলে আমরা খতিয়ে দেখব।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ বলেন, বিষয়টি সত্যিই অদ্ভুত। আমি পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা

নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা