সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

‘মব সন্ত্রাস’ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন

  • আপলোড সময় : ০৬-০৭-২০২৫ ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৭-২০২৫ ১২:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
‘মব সন্ত্রাস’ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে এক গভীর উদ্বেগজনক প্রবণতা দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে- তা হলো ‘মব সন্ত্রাস’, অর্থাৎ উচ্ছৃঙ্খল জনতার হাতে তথাকথিত বিচার ও শাস্তি। তুচ্ছ বিষয়ের সূত্র ধরে বেধড়ক মারধরের ঘটনা এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলায় মবের হাতে নিরীহ মানুষের প্রাণহানির ঘটনাগুলো আমাদের নৈতিক শূন্যতার এক কঠিন চিত্র তুলে ধরছে। একটি সভ্য রাষ্ট্রে বিচার হয় আদালতে, প্রমাণ ও যুক্তির ভিত্তিতে। কিন্তু মব কালচারে সে ন্যায্যতার কোনো স্থান থাকে না। থাকে কেবল গুজব, উত্তেজনা এবং সহিংসতা। এতে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্দোষ মানুষ এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থা। গণপিটুনির মতো অপরাধ সমাজে এক ধরনের অরাজকতা ও ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। আমরা মনে করি, এ অবস্থার অবসানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ জরুরি : প্রতিটি গণপিটুনি ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ভিডিও ফুটেজ বা প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনার ভিত্তিতে অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার করতে হবে। এতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজে সাহস পাবে না। এছাড়া আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে হবে। দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করা গেলে মবকারীরা আর হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করবে না। এছাড়া গুজব প্রতিরোধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি ও তথ্য প্রচার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি গুজব ছড়ালে আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সারাদেশে ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে বার্তা দিতে হবে- “আইনের বাইরে কোনো বিচার নেই”। মব সন্ত্রাস বন্ধ করতে না পারলে আমরা একটি অসহিষ্ণু, হিংস্র এবং আইনবিচ্যুত সমাজের দিকে এগিয়ে যাব। এই প্রবণতা শুধু একটি বা দুটি প্রাণহানি নয়, এটি আমাদের রাষ্ট্রের ভিত্তিকে নড়বড়ে করে দেয়। এখনই সময়- রাষ্ট্র, প্রশাসন এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগে এই ভয়াবহ ব্যাধিকে রুখে দেওয়ার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স