সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ , ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেফতার ৩ যাদুকাটা, রক্তি ও পাটলাই নদীতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন হাওরের আতঙ্ক ‘আফাল’ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট একজনের মৃত্যুদন্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ দাবদাহে যুক্তরাজ্যে ২৭০০ জনের প্রাণহানি খাসিয়ামারা নদী গিলছে ভিটেমাটি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক সভা একটি দল জনগণের বিপক্ষে ছিল, তাদের রাজাকার বলা হয় : সুলতান সালাউদ্দিন জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো বাধাই বিএনপিকে থামাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে পিতা-পুত্রের পাল্টাপাল্টি মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি আড়াই কোটি টাকার ৪ নৌ-অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, একদিনও সেবা পাননি হাওরবাসী বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, মামলা-হামলায় থমথমে শ্যামনগর গ্রাম মধ্যনগরে বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল এমপি হান্নান মাসউদের জন্য মাঝ নদী থেকে ঘাটে ফেরানো হলো ফেরি সবচেয়ে বেশি বৃত্তি সদরে, কম শাল্লায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জেলায় সেরা জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে ৮ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

চুরির অপবাদ দিয়ে যুবলীগ নেতাকে হাত-পা বেঁধে মারধর

  • আপলোড সময় : ০৪-০৬-২০২৫ ০৮:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৬-২০২৫ ০৮:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন
চুরির অপবাদ দিয়ে যুবলীগ নেতাকে হাত-পা বেঁধে মারধর
স্টাফ রিপোর্টার :: তাহিরপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে ইছা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে হাত-পা বেঁধে মারধরের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ইছা মিয়া উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৩১ মে) রাতে সাধেরখলা হাজি এমএ জাহের উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রহিম মিয়ার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। পরের দিন রোববার সকালে অনেক খোঁজাখুঁজির পর চোর সন্দেহে ইছা মিয়াকে ধরে আনে গ্রামের কিছু লোক। এ সময় তাকে রহিমের দোকান ঘরের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করে। এক পর্যায়ে ইছা মিয়া চুরি করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেন। একপর্যায়ে ইউপি সদস্য রোপন মিয়াসহ বিক্ষুব্ধ লোকজন কাগজে মুচলেকা নিয়ে ইছা মিয়াকে ছেড়ে দেন। এ বিষয়ে দক্ষিণ বড়দল ইউপি সদস্য রোপন মিয়া বলেন, গ্রামের রহিম মিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনায় স্থানীয়রা ইছা মিয়াকে ধরে এনে বেঁধে রাখে। পরে সে স্বীকার করে এবং কিছু মালামাল বের করে দেয়। আমরা যাওয়ার পরে কাগজে তার মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। তাহিরপুর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, কাউকে চোর সন্দেহে ধরে এনে শাস্তি দেওয়া বেআইনি। এই বিষয়টি কেউ থানায় অবগত করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া চুরির বিষয়েও কোন অভিযোগ কেউই করেনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স