সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ যাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি আজ সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি ভোরে পাচার হয় ধোপাজান নদীর লুটের বালু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে কঠোর পদক্ষেপ - জি কে গউছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ বিএনপির জাতিসংঘ অধিবেশন : ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নামমাত্র চারা লাগিয়ে বরাদ্দ লুটপাটের আয়োজন উকিলপাড়ার পুকুর যেন ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধ ও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা বিশ্বম্ভরপুরে হিজল বাগান উজাড়, কাটা হলো ৬২টি গাছ ছাতকে ফোরলেন সড়কের কাজ উদ্বোধন করলেন এমপি কলিম উদ্দিন মিলন ‎জামালগঞ্জে বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফারুকীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ দিরাইয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ অধ্যাপক ন্যাথানায়েল এডউইন ফেয়ারক্রস সরলতার ভুবনে সজ্জন মানুষ সার পাচারে জড়িত ডিলাররা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে নিষিদ্ধ জালে বিপন্ন দেশি মাছ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা

ওয়ার্ড পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু এখন সময়ের দাবি

  • আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ১২:১২:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৫ ১২:১২:৪২ পূর্বাহ্ন
ওয়ার্ড পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু এখন সময়ের দাবি
সুনামগঞ্জসহ দেশের হাওর অঞ্চলে এবছর বাম্পার বোরো ধানের উৎপাদন আমাদের কৃষি খাতের সম্ভাবনাকে আবারও প্রমাণ করেছে। প্রায় ১৪ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ধান উৎপাদনের মধ্য দিয়ে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের স্বাবলম্বী হওয়ার আশাব্যঞ্জক বার্তা মিললেও দুঃখজনকভাবে সেই সুফল কৃষকের ঘরে পৌঁছাচ্ছে না। প্রধান কারণ- সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করতে গিয়ে হাওরের দুর্গম এলাকার কৃষকদের যাতায়াত বিড়ম্বনা, অতিরিক্ত পরিবহন খরচ ও সীমিত সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বাজারে ন্যায্য দাম না পেয়ে এবং গুদামে দিতে উৎসাহ হারিয়ে অনেক কৃষক বাধ্য হচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে ধান বিক্রি করতে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী দাবি হলো- ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়ে ধান সংগ্রহ কেন্দ্র চালু করা। হাওর অঞ্চলের বাস্তবতা হলো- সড়ক ব্যবস্থা দুর্বল, অনেক এলাকা বছরের দীর্ঘ সময় জলমগ্ন থাকে, যা থেকে নৌকা, ট্রলি বা শ্রমিক খরচ বেড়ে যায়। গড়ে প্রতি মণে পরিবহন ব্যয় দাঁড়ায় ২০০ টাকার মতো, যা সরকার নির্ধারিত মূল্য (মণপ্রতি ১,৪৪০ টাকা) থেকে কৃষকের লাভ কমিয়ে দেয়। যদি সরকার ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়েই ধান সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে, তাহলে- কৃষকের ধান ঘর থেকেই সংগ্রহ সম্ভব হবে, পরিবহন খরচ বাঁচবে, সংগ্রহ কার্যক্রম গতিশীল হবে, সরকার নির্ধারিত গুণগতমান বজায় রেখেও সহজে ধান মজুদ করা সম্ভব হবে। বহু কৃষক ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, যদি ঘরের কাছাকাছি ধান দেওয়ার সুযোগ থাকে, তাহলে তারা সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হবেন। এছাড়া বেসরকারি দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যও এভাবে রোধ করা সম্ভব। সরকার যে ‘কৃষিবান্ধব’ নীতির কথা বলে থাকে, তা বাস্তবে রূপ দিতে হলে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ চালুর মতো বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। শুধু মন্ত্রণালয় বা জেলা শহরে বসে সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না - কৃষকের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই গঠন করতে হবে কার্যকর সংগ্রহ নীতি। আমরা মনে করি, একজন কৃষকের ঘামে ভেজা ধানের প্রতি সম্মান জানাতে হলে, তার ধান কেনার পথকে সহজ করতে হবে। ওয়ার্ডভিত্তিক ধান সংগ্রহ কেন্দ্র গড়ে তোলা হোক হাওরের কৃষকের প্রাপ্য ন্যায্যতার প্রথম ধাপ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
জামালগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু

জামালগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু