সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ , ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : সংসদে মির্জা ফখরুল শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের দশম দিনের কর্মসূচিতে সড়ক অবরোধ পথে যেতে যেতে: পথচারী ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের অর্থায়নে ৩৪ দরিদ্র রোগীর চোখের ছানি অপারেশন যেকোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৫৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা যাদুকাটা ও শিমুল বাগান রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন এমপি কামরুল বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত প্রতিশ্রুতি নয়, হাসপাতাল চাই আদ-দ্বীনের লাইসেন্স স্থগিত নিয়ে দলীয়করণ কেন, জামায়াতকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন থামছে না বজ্রপাতে মৃত্যু, সতর্কবার্তা পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ সমাবেশ-গণমিছিল-স্মারকলিপি, জেলা সদরে সুবিপ্রবি’র স্থায়ী ক্যাম্পাস চাই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালেও ব্যবস্থা, নকলের দায় কেন্দ্রসচিবের মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন ডিজি, আশ্বাসেও অনড় শিক্ষার্থীরা মিয়ানমার করিডোর কী কাজে সুবিধা দেবে, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে : এমপি কামরুল সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত

গৌরবময় স্বাধীনতা দিবস আজ

  • আপলোড সময় : ২৬-০৩-২০২৫ ০২:০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৩-২০২৫ ০২:০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
গৌরবময় স্বাধীনতা দিবস আজ
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। দীর্ঘ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মাঝে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের এই দিনে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু মাতৃভূমিকে মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “ইহাই হয়তো আমাদের শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন।” এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, ধ্বংস ও পৈশাচিকতার বিরুদ্ধে ৯ মাসের মরণপণ লড়াইয়ে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের বিনিময়ে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের। গোটা জাতি আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। শ্রদ্ধা জানাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাংলার অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। অত্যাচার-নিপীড়নে জর্জরিত বাঙালি জাতির সামনে আলোকময় ভবিষ্যতের দুয়ার খুলে দেওয়ার দিন ২৬ মার্চ। গৌরব ও স্বজন হারানোর বেদনার এই দিনে বীর বাঙালি সশস্ত্র স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা করেছিল। মাতৃভূমিকে হিং¯্র মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রগতি, কল্যাণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে অর্জন করা হয় স্বাধীনতা। দেশের সার্বভৌমত্ব সংহত করার নতুন শপথে বলিয়ান হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিবিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করার অঙ্গীকার করে বীর বাঙালি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরুর পর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে দেশবাসীকে নির্দেশ দেন। তৎকালীন ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে বঙ্গবন্ধুর সেই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় দেশের সর্বত্র। বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণায় সেদিনই ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোটা জাতি। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ। প্রথমে ২৬ মার্চ দুপুরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নান বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা পাঠ করেন। ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাটি পাঠ করেন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার নিভৃত আমবাগানে শপথ নেয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, তার অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে এই সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করে। একটি সুশৃঙ্খল ও অত্যাধুনিক সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালিদের রুখে দাঁড়ানোর নজির পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী প্রাণপণ যুদ্ধের সফল পরিণতিতে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে ওড়ে বিজয়ের লাল-সবুজ পতাকা। মরণপণ লড়াই ও একসাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই বিজয়। স্বাধীনতা তাই বাংলাদেশিদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : সংসদে মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : সংসদে মির্জা ফখরুল