সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
'মো. জিয়াউল হক' বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই ইমনদ্দোজা’র ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জগন্নাথপুরে এসিল্যান্ডের বাসায় চোরের কান্ড জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও নবীন বরণ আমরা দেশকে সচল করেছি, প্রধান অর্জন জুলাই সনদ : প্রধান উপদেষ্টা চিলাই নদীর রাবার ড্যামে লিকেজ : ১২০০ হেক্টর বোরো জমিতে সেচ সংকট তারেক রহমানের সামনে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ সুনামগঞ্জ-২ আসনে ‘দল নয় ব্যক্তি বড়’ নাছিরের জয়ে সুরঞ্জিতের ছায়া জামালগঞ্জে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট লঞ্চঘাটে যাত্রীছাউনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক গানে, কথায় বাউল আব্দুল করিমকে স্মরণ জেলার ৫টি আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ভরাডুবি প্রথমবার জেলার পাঁচ আসনেই বিএনপির জয় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি যেকোনো মূল্যে শান্তি-আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে : তারেক রহমান দিরাইয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন তারেক রহমানকে নির্বাচনী এলাকার জনগণের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিলেন এমপি কামরুল জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

সন্জীদা খাতুন আর নেই

  • আপলোড সময় : ২৬-০৩-২০২৫ ০১:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৩-২০২৫ ০১:১৮:২৫ পূর্বাহ্ন
সন্জীদা খাতুন আর নেই
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব, সংগীতজ্ঞ ও ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সন্জীদা খাতুন আর নেই। মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এক সপ্তাহ ধরে তিনি এই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন। সন্জীদা খাতুনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাঁর পুত্রবধূ ও ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। সন্জীদা খাতুনের জন্ম ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল। বাবা কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক। মা সাজেদা খাতুন গৃহিণী। সন্জীদা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৪ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ¯œাতক, ১৯৫৫ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতেকোত্তর এবং ১৯৭৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা দিয়েই তাঁর কর্মজীবন শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেছেন তিনি। সন্জীদা খাতুনকে জীবনের প্রায় শুরু থেকেই দেখা গেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকায়। যখন তিনি কলেজের শিক্ষার্থী, তখন থেকেই পড়াশোনা, আবৃত্তি ও অভিনয়ের পাশাপাশি গানের চর্চা করেছেন। পাশাপাশি কিছু সাংগঠনিক কাজেও যুক্ত হয়েছেন। শিল্পী কামরুল হাসানের নেতৃত্বে ব্রতচারী আন্দোলনে যোগ দেন। তাঁর প্রথম গানের গুরু ছিলেন সোহরাব হোসেন। তাঁর কাছে তিনি শিখেছিলেন নজরুলসংগীত, আধুনিক বাংলা গান ও পল্লীগীতি। পরে রবীন্দ্রসংগীত শিখেছেন হুসনে বানু খানমের কাছে। পরে আরও অনেকের কাছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শৈলজারঞ্জন মজুমদার, আবদুল আহাদ, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেনসহ কয়েকজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকেই সন্জীদা খাতুন সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। সন্জীদা খাতুন বিপুল কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবন সামগ্রিকভাবে বাঙালির মানস ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত), দেশিকোত্তম পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)। এছাড়া কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট ১৯৮৮ সালে তাকে ‘রবীন্দ্র তত্ত্বাচার্য’ উপাধি, ২০১৯ সালে ‘নজরুল মানস’ প্রবন্ধ গ্রন্থের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার দেয়। ২০২১ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স