সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ , ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঁধের কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিলেন জেলা প্রশাসক ছাতকে কৃষকের খড়ের গাদায় দুর্বৃত্তদের আগুন, দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি মাত্র দুই চিকিৎসকেই চলছে তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এক মাসেও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি, বিচার নিয়ে শঙ্কায় পরিবার তাহিরপুরে অক্ষত বাঁধ থাকা সত্ত্বেও বাড়তি বরাদ্দ অধিকাংশ প্রকল্পে কাজ শুরুই হয়নি, শঙ্কায় কৃষক সাচনা বাজারে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দায়ে জরিমানা শান্তিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট কার খালে, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট বরাদ্দের অভাবে ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ, ভাড়া বাসায় চলছে কার্যক্রম রাতের আঁধারে হাওরের মাটি লুটের মহোৎসব, মাটি ভর্তি ৩ ট্রাকসহ আটক ২ নতুন মাটি একমুঠোও পড়েনি, মেশিনে খুঁড়ে দেওয়া হয়েছে নতুন রূপ অবাধে বিক্রি হচ্ছে ফসলি জমির টপ সয়েল ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিতে কাজ করবে জমিয়ত দেখার হাওর : কবে শুরু হবে বাঁধের কাজ? জগন্নাথপুরে হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হাওরে পুরোদমে চলছে বোরো আবাদ সিলেট থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান গাছ বাঁচাতে উদাসীন বন বিভাগ জোড়া মনোনয়নে কৌশলী বিএনপি অনৈক্য হলে ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কা

স্বস্তির বৃষ্টিতে সতেজ বোরো ধানের চারা, কৃষকের মুখে হাসি

  • আপলোড সময় : ১৮-০৩-২০২৫ ০৯:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৩-২০২৫ ০৯:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
স্বস্তির বৃষ্টিতে সতেজ বোরো ধানের চারা, কৃষকের মুখে হাসি
আশিস রহমান :: এবার বোরো মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন সুনামগঞ্জের বোরো ধান চাষীরা। বৃষ্টির অভাবে পানি শূন্যতায় হাওরের বোরো ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। এতে ধানের ফলন কমে যাওয়ার শঙ্কায় ছিলেন কৃষকরা। বৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় শিরনি ও বিশেষ দোয়ার আয়োজনও করা হয়েছিল। শুধু বোরো ধান চাষীরাই নয়, তীব্র খরতাপে প্রকৃতিতেও এক ধরনের অস্বস্তিকর রুক্ষতা বিরাজ করছিল। তবে গত শুক্রবার ও শনিবার স্বস্তির বৃষ্টি হওয়ায় খুশি কৃষকরা। বৃষ্টির পানিতে এখন টুইটুম্বুর হাওরের বোরো ফসলি জমি। দীর্ঘদিন পর পানি পেয়ে সতেজ হয়ে উঠেছে বোরো ধানের চারা। কৃষকরা জানান, এতোদিন পানির অভাবে ধানের চারা শুকিয়ে মারা যাওয়ার অবস্থায় ছিল। তবে গত দুইদিনের বৃষ্টিতে এখন আবার বোরো ধান ক্ষেত নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। পানির অভাব অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের বোরো চাষি কাজল মিয়া বলেন, বৃষ্টির জন্য আমরা দোয়া করেছিলাম। বৃষ্টি হওয়ায় এখন আমরা খুব খুশি। এতে ধানের চারা তাড়াতাড়ি বড় হবে। পানির জন্য আর টেনশন করা লাগবেনা। একই গ্রামের কৃষক আনু মিয়া বলেন, এবছর শুষ্ক মৌসুমের শুরু থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে, খাল বিলেও এবার পানি পাওয়া যায়নি। বৃষ্টি হওয়ায় গাছ ও ফসলের জন্য ভালো হয়েছে। কানলার হাওরের কৃষক দ্বীন ইসলাম বলেন, এখন আর টাকা খরচ করে পানি দেওয়া লাগবে না। বৃষ্টি না হলে পানির জন্য বাড়তি টাকা খরচ করা লাগতো। তিনি আরো বলেন, এতোদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোকা মাকড়ের উপদ্রপ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন ফসলের বিভিন্ন রকম ক্ষতিকর পোকা মারা যাবে। দোয়ারাবাজার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, হাওরপাড়ের মানুষের আয়ের একমাত্র উৎস কৃষি। বোরো ধানকে ঘিরেই নতুন বছরে বৈশাখী উৎসবে মেতে উঠার স্বপ্নে বিভোর থাকেন কৃষকেরা। বোরো ধানের ফসলের ভালো উৎপাদনের জন্য বৃষ্টির খুব প্রয়োজন ছিলো। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ভালো উৎপাদন আশা করা যাচ্ছে। এবার উপজেলা জুড়ে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ১২ হাজার ৯০১ হেক্টর। দোয়ারাবাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ মহসিন বলেন, বোরো ধানে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা এবার যতটুকু নির্ধারণ করা হয়েছিল তা পূরণ হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ধানের চারা এখন সতেজ হয়েছে। আমরা আশাবাদী এই বৃষ্টিতে বোরোধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
মাত্র দুই চিকিৎসকেই চলছে তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মাত্র দুই চিকিৎসকেই চলছে তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স