সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

জগন্নাথপুরে সড়কের ভাঙনে অরক্ষিত হাওরের ফসল

  • আপলোড সময় : ১৭-০৩-২০২৫ ০১:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৩-২০২৫ ০২:২৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে সড়কের ভাঙনে অরক্ষিত হাওরের ফসল
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি ::
জগন্নাথপুরে প্রধান সড়কের ভাঙনে স্থানীয় হাওরে উৎপাদিত বোরো অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ১৫ মার্চ শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ-লাউতলা প্রধান সড়কের লাউতলা এলাকায় এক এক করে ছোট-বড় ৬টি ভাঙন রয়েছে। এর মধ্যে কার্লভার্টও ভেঙে গেছে। যে কারণে সড়কের এ অংশ দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। যদিও সড়কের পাশ দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া সড়কের এসব ভাঙনের কারণে স্থানীয় বিলচর, দারারপেট, ঐয়ারবন, ডিগারকুল, জাহিরবন, কোনারবনসহ বেশ কয়েকটি ছোট-বড় হাওরে প্রায় ২৫০ হাল জমির বোরো ধান অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। আবদুল লতিফ, রফিক মিয়া, মানিক মিয়া, আতাউর রহমান, কবির মিয়াসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়কের ভাঙনের কারণে অত্র অঞ্চলের মানুষজন বিপদে আছি। বিগত ২০২২ সালের বন্যায় সড়ক ভেঙে ছিল। পরে মাটি ভারট হলেও গত বছর আবার ভেঙে গেছে। এবার আর কোন কাজ হয়নি। ফলে স্থানীয় হাওরের বোরো ফসল অরক্ষিত রয়েছে। নদীতে পানি আসলেই কোন প্রকার বাঁধা ছাড়াই হাওরে পানি ঢুকে ফসলহানি হবে। তাছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা পাউবো কর্মকর্তা সবুজ কুমার শীল বলেন, এসব ভাঙন পাউবোর অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন জানান, এ সড়কের কাজের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। কাজও শুরু হয়ে যাবে। তবে কাজ করতে গেলে যেন কেউ কোন সমস্যা না করে আমরা সেটাই চাই।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স