সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

ধর্ষণ নির্মূলের সূত্রপাত প্রসঙ্গে

  • আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ১২:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৩-২০২৫ ১২:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন
ধর্ষণ নির্মূলের সূত্রপাত প্রসঙ্গে
ধর্ষণের প্রতিবাদ চলছে সমান তালে। গতকালের (১৫ মার্চ ২০২৫) দৈনিক সুনামকণ্ঠে তিনটি ধর্ষণপ্রতিরোধী কর্মসূচির সংবাদ ছাপা হয়েছে। এ ব্যাপারে দেশের বিভিন্ন পত্রিকাও বোধ করি পিছিয়ে নেই। দেশজুড়ে সর্বত্র প্রতিবাদ-প্রতিরোধের কর্মসূচি চলছে, দাবি উঠেছে ধর্ষককে মৃত্যুদ- দেওয়ার। দেশব্যাপী এই আলোড়ন হচ্ছে মাগুরার শিশুধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। মনে হয়, অচিরেই এই আলোড়ন থেমে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই আলোড়ন থেমে গেলে পরে কী হবে? উত্তরটা খুবই সহজ। সমাজে আগের মতোই ধর্ষণ চলতে থাকবে, প্রতিরোধ হবে না এবং প্রতিকার দিল্লিদূরস্ত যথারীতি থেকেই যাবে, কোনও সুরাহা মিলবে না। ফের প্রতিবাদের ঝড় উঠবে এবং মিলিয়ে যাবে। দেশে ধর্ষণবিরোধী আইন আছে, সে-আইন থাকার পরও অবস্থার কোনও হেরফের ঘটবে বলে মনে হয় না। কারণ, অস্বীকার করার উপায় নেই, এই দেশে আইনের প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হয়। কঠোরভাবে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে অপরাধ যেমন আইনের ফাঁকফোঁকড়ে চলতেই থাকে, তেমনি ধর্ষণও চলতেই থাকবে। অর্থাৎ মাগুরার শিশুধর্ষণের ঘটনাটির জের থিতিয়ে গেলে লোকে ভুলে যাবে ধর্ষণের বীভৎসতা ও ভয়াবহতাকে। অভিজ্ঞমহলের ধারণা, ধর্ষণের বীজ সমাজের মাটিতে বপনরোপণের অবকাশ রেখে দিয়ে যতোই প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক না কেন সমাজবাস্তবতার অংশ হিসেবে ধর্ষণ থেকেই যাবে, নির্মূল করা যাবে না। তবে ধর্ষণ প্রতিরোধে নারী-পুরুষের মর্যাদা সমান করে তোলতে হবে সর্বাগ্রে, যৌনতা নিয়ন্ত্রণের পরিসরে ধর্ষণের ঘটনায় নারী যতোটা অপমানিত হয় পুরুষকেও ততোটাই অপমানিত হতে হবে। সমাজমানসতায় তথা মানুষের চিন্তা ও উপলব্ধির জগতে ধর্ষণের বিষয়ে এবংবিধ ধারণাপ্রত্যয়ের উদ্রেক হলেই কেবল ধর্ষণ নির্মূলের সূত্রপাত ঘটবে, অন্যথায় নয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স