সুনামগঞ্জ , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন চারজন জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত কবি ইকবাল কাগজী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আর নেই প্রাথমিকে এক হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম শৃঙ্খলা ফিরছে না টাঙ্গুয়ার হাওরে গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে : জেলা প্রশাসক শুভ জন্মদিন কবি ইকবাল কাগজী ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুলেন্সের আকৃতি দিয়ে চলছে রোগী পরিবহন

টাঙ্গুয়ার পাড়ে রোপিত গাছ মারা যাচ্ছে, কর্তব্য কী?

  • আপলোড সময় : ১৪-০৩-২০২৫ ০২:২২:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০৩-২০২৫ ০২:২২:১০ পূর্বাহ্ন
টাঙ্গুয়ার পাড়ে রোপিত গাছ মারা যাচ্ছে, কর্তব্য কী?
গত বুধবারের (১২ মার্চ ২০২৫) দৈনিক সুনামকণ্ঠের একটি সংবাদশিরোনাম ছিল, ‘টাঙ্গুগুয়ার হাওরে অযত্নে মরছে বন বিভাগের বৃক্ষ’। অপূর্ব কথা এবং অবিশ্বাস্য। বন বিভাগের বৃক্ষ মারা পড়ছে অযত্নে-অবহেলায়। প্রতিবেদক জানাচ্ছেন, “টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন গোলাবাড়ি কান্দায় বন বিভাগ কর্তৃক ২৫ হেক্টর ভূমিতে লাগানো বৃক্ষ মারা যাচ্ছে। ভুল সময়ে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতিতে বৃক্ষ লাগানো এবং পরিচর্যার অভাবে অযতেœ বৃক্ষগুলো মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা টাঙ্গুগুয়ার কান্দায় লাগানো বৃক্ষের পরিচর্যার দাবি জানিয়েছেন। সুনামগঞ্জ বন বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, মাস খানেক আগে জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ভূমিতে টাঙ্গুয়ার হাওরের কান্দায় হিজল-করচের ৪০ হাজার বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে।” গাছ লাগানোর পর যদি সেগুলো মারা যায় অর্থাৎ বাঁচানোর জন্যে কোনওরূপ যতœআত্তি করা না হয়, তবে গাছ লাগানোর দরকারটা বনায়নের স্থলে বনায়নের কর্মসূচিকে ব্যর্থ করে দিয়ে অর্থাৎ গাছ লাগিয়ে বাড়তি টাকা উপার্জন করা এবং গাছ মরে গেলে আবার গাছ লাগিয়ে টাকা উপার্জনের পথ খোলা রাখায় পর্যবসিত হয়। টাঙ্গুয়ারপাড়ে বনায়ন সৃষ্টির কর্মসূচি আপাতত এমনবিধ স্বার্থকতাকেই পতিপন্ন করছে, যে স্বার্থকতার একটাই অর্থ : অযতœ অবহেলায় গাছগুলো মরবে এবং অফিসে বসে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবার বনায়নের প্রকল্প সৃজনে সৃষ্টিশীল হয়ে উঠবেন, সরকার বনায়নের জন্য টাকা দেবেন, রোপণ করা গাছগুলো মরে গিয়ে সে-টাকার শ্রাদ্ধ করবে। এই খেলা চলতেই থাকবে। এটা ‘বাঁধ ভাঙা, বাঁধ দেওয়া, বাঁধ ভাঙা’ খেলার মতো ‘গাছ রোপণ, গাছ মরা, গাছ রোপণ’ খেলা। সত্যি অপূর্ব এক খেলার মতো খেলা বটে। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের অভিমত এই যে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মতো এবংবিধ সরকারি টাকা অপচয়কারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরি, অন্যথায় এই প্রতিষ্ঠানটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করাই সবচেয়ে উত্তম, অন্তত সরকারি টাকা অপচয়ের হাত থেকে রক্ষা যাওয়া যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ