সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, মাঠে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুনামগঞ্জে এসআরবি উইং কমান্ডার দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত ছেলের হাতে মা খুন সীমান্তবর্তী পূজামন্ডপের নিরাপত্তায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সুনামগঞ্জে সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা সহ্য করা হবে না : এমপি নূরুল ইসলাম পতিত জমিতে মাল্টার বাগান, প্রবাসফেরত সাইফুরের সাফল্য শারদীয় দুর্গোৎসব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ‎জামালগঞ্জে ৫৫ পূজামণ্ডপে এমপির অনুদান, সিসি ক্যামেরা ও সড়ক সংস্কারে সহায়তা প্রশাসনের উৎসবের আনন্দ থেকে কোনো শিশু যেন বঞ্চিত না হয় : জেলা প্রশাসক শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী রিয়াদের বিমানবন্দরে ১৫ দিনে ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথিরা শিশু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করল লায়ন্স ক্লাব শান্তিগঞ্জে বশির উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএসসি উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা অস্ট্রেলিয়ার জুটিকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে রাঈদ-লিপটন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পন্ন পূজার ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় টাঙ্গুয়ার হাওর ১৫০ বছরের পুরোনো মূর্তি ও গহনা চুরি

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জামিনে মুক্ত

  • আপলোড সময় : ২৭-০৮-২০২৪ ০১:৫৭:২৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৮-২০২৪ ০২:০১:৩০ পূর্বাহ্ন
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জামিনে মুক্ত
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জামিনে মুক্ত সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৬ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার রেজাউল করীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবী থানার পলাশনগরে নিজ বাড়ির সামনে ব্লগার রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় রাজীবের বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট জসীম উদ্দিন রাহমানীকে বরগুনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকার একটি আদালত ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদ- দেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনসহ মোট চারটি মামলা হয়। কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার রেজাউল করীম জানান, মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় রাহমানীকে জামিন দেওয়া হয়। রবিবার (২৫ আগস্ট) আদালত থেকে তাকে জামিন দেয়। অন্য মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে। জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে, গত ১৫ আগস্ট নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিম উদ্দীন রহমানী প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হেলিকপ্টারে বরগুনা গিয়ে বোনের জানাজায় অংশ নেন। এদিন কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সকাল ৯টায় তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পান তিনি। সকাল ১০টায় বরগুনা সার্কিট হাউস মাঠে জানাজা পড়ানো শেষে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়। প্যারোলে মুক্তি দেওয়া সংক্রান্ত চিঠি থেকে জানা যায়, গত বুধবার জসিম উদ্দীন রহমানীর বড় বোন বরগুনার বাসিন্দা মমতাজ বেগম (৬৫) মারা যান। এরপর নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বৃহ¯পতিবার সকালে তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জসিম উদ্দীন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় হেলিকপ্টারে বরগুনার সার্কিট হাউজ মাঠে অবতরণ করেন। পরে বোনের জানাজায় ইমামতি করেন। এরপর গাজীপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। জানাজা নামাজের শুরুতে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে জসিম উদ্দীন রহমানী বলেন, আমি একজন মুসলিম, এটাই আমার বড় পরিচয়। কোনও দলের সঙ্গে কখনও জড়িত ছিলাম না। অথচ শেখ হাসিনার সরকার আমাকে মিথ্যা মামলায় জেলে রেখেছে। গ্রেফতারের আগে কখনও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নামও শুনিনি। ওই সংগঠনের প্রধান হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। আমাকে বানিয়েছে খুনি, বানিয়েছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান। আমার পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে এই টিমের অপবাদে জেল খাটিয়েছে, আমার ছোট ভাইয়ের ওপর চালিয়েছে অমানবিক নির্যাতন। একসময় সে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে। আমাকে বিনা অপরাধে ১২ বছর ধরে কারাগারে রাখছে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। বোনের জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন এই মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেয়ে আবার আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পারি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে পুলিশের নিরাপত্তায় জসিম উদ্দীনকে হেলিকপ্টারে বরগুনায় আনা হয়। পরে একইভাবে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। এদিকে, শীর্ষ একজন ‘জঙ্গি’র এভাবে জানাজায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। তবে তিনি বা তার অনুসারীরা কীভাবে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করেছেন, তা জানা যায়নি। জসিম উদ্দীন বরগুনা সদর উপজেলার ৮ নম্বর ইউনিয়নের হেউলিবুনিয়া গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছেলে। জসিম উদ্দীনের ছোট ভাই আব্দুল জলিল বলেন, পারিবারিকভাবে আমরা কোনও কিছুর ব্যবস্থা করিনি। কে বা কারা ভাইকে হেলিকপ্টারে বরগুনায় আসতে দিয়েছেন, সে বিষয়ে আমাদের কিছুই জানা নেই। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি মসজিদের খতিব ছিলেন জসিম উদ্দীন। ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট বরগুনা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদ- দেন আদালত। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। যা এখনও বিচারাধীন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি

প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি