সুনামগঞ্জ , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ অনলাইন জুয়ার ‘হটস্পট’ জাউয়াবাজার প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে নিহত ১ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন চারজন জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত কবি ইকবাল কাগজী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আর নেই প্রাথমিকে এক হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম শৃঙ্খলা ফিরছে না টাঙ্গুয়ার হাওরে গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে : জেলা প্রশাসক

স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও

  • আপলোড সময় : ০২-০৩-২০২৫ ০৩:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৩-২০২৫ ০৩:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
স্টাফ রিপোর্টার :: পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতেই সুনামগঞ্জে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের ফলের দাম। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগামী ১-২ দিনের মধ্যে ফলের নতুন চালান না আসলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিবছরই রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি বাজারে ফলের দাম বৃদ্ধি পায়। এবছরও ফলের বাজারে স্বস্তি নেই। তাদের দাবি, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দাম বৃদ্ধি করছেন। রমজানে সব ধরনের পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার দাবি জানান ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে অন্যান্য দ্রব্যের পাশাপাশি ফলের চাহিদা অনেকটা বেশি থাকে। যার কারণে দাম কিছুটা বাড়ে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল না পাওয়ায় দাম আরও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীরা। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বেশ কিছু ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, কমলা কেজি প্রতি প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকা। আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৭০ টাকা, মাল্টা ৩০০-৩১০, আঙ্গুর (সাদা) ৩৩০-৩৫০, আঙ্গুর (কালো) ৪৮০-৫০০, ডালিম ৩৫০-৩৬০, পেয়ারা ১০০-১২০ টাকা, খেজুর (জিহাদী) ২৯০-৩০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করা হচ্ছে। তরমুজের দামও বেড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হবে। এভাবে ফলের বাড়তি দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বাজারে আসা ক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে। আগে আপেল ১৬০-১৮০ টাকায় পাওয়া যেত কিন্তু এখন দাম ২৫০ টাকার উপরে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে ফল ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। আরিফ মিয়া নামের এক ক্রেতা জানান, রমজানে তো সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি রাখবো তাঁরা যেন নিয়মিত বাজার মনিটরিং করেন। তাহলে এতো সহজে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াবে না। লোকমান মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগেও সবকিছুর দাম নাগালের মধ্যে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে দাম বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বাজারে এক ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে বিভিন্ন সময়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে বাজারে কোনো ধরণের সিন্ডিকেট আছে কি-না তা প্রশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। তাহলে দাম কিছুটা কমবে। খুচরা ব্যবসায়ী রাজিব মিয়া বলেন, ফলের দাম বাড়তির দিকে। বিভিন্ন ফলে ২০-৩০ টাকা প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে। বেশি দামে ক্রয় করার কারণে কিছুটা বেশি দামে ফল বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। ব্যবসায়ী ছাদিক জানান, বাজারে পর্যাপ্ত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, এখন দাম বেশি দিয়ে কিনে আমরা তো আর কম দামে বিক্রি করতে পারি না। আমরা সব সময়ই চেষ্টা করি কম দামেই বিক্রি করার। সুয়েল মিয়া নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে ফলের দাম বাড়ছে। কয়দিন আগেও দাম তুলনামূলক অনেক কম ছিল। কিন্তু এখন দাম বাড়ছে। এই দাম বাড়ার প্রবণতা পুরো রমজানজুড়েই থাকবে। আমাদের মতো সাধারণ বিক্রেতাদের করার কিছুই নেই।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স