সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা
বর্ধিত গুরমার হাওরে অক্ষত বাঁধে ৯ প্রকল্প

অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন
অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ সোলেমানপুর থেকে শ্রীলাইন তাহিরপুর পর্যন্ত বর্ধিত গুরমার হাওরের ৯টি পিআইসির ৫টিই অক্ষত। কিন্তু এর
বিশেষ প্রতিনিধি :: সোলেমানপুর থেকে শ্রীলাইন তাহিরপুর পর্যন্ত বর্ধিত গুরমার হাওরের ৯টি পিআইসির ৫টিই অক্ষত। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে অক্ষত এই বাঁধগুলোর মাটির কাজও এখনো শেষ করতে পারেনি। গত সোমবার সরেজমিনে এই চিত্রই দেখা ৬নং প্রকল্প থেকে ১৪নং প্রকল্প পর্যন্ত। তবে ৬নং প্রকল্প ছাড়া কোথাও প্রকল্পের সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি। সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোলেমানপুর থেকে শ্রীলাইন তাহিরপুর পর্যন্ত বাঁধগুলো প্রায় অক্ষত। এর মধ্যে ভবানীপুর থেকে জয়পুর-গোলাবাড়ি পর্যন্ত বাঁধ সম্পূর্ণই ভালো। হাওরের জাঙ্গাল কেটে বাঁধের স্লোবে দায়সারা মাটি দেওয়া হয়েছে। পুরনো অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ। তবে ভবানীপুর পেরিয়ে কিছুদূর যাবার পরই দেখা গেল নতুন অক্ষত বাঁধে সামান্য মাটি দেওয়া হচ্ছে। সামনে পুরনো অক্ষত বাঁধটি করছে ঝলমল। ৬.৫ পয়েন্ট উচ্চতায় বাঁধ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন পয়েন্টে সেই উচ্চতা দেখা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের পুরাতন অক্ষত বাঁধকে মাটির প্রলেপে নতুন দেখানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তাহিরপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টরা জানান, ৬-১৪নং প্রকল্প পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণে প্রায় পৌনে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। ভবানীপুর থেকে শ্রীলাইন তাহিরপুর পর্যন্ত বাঁধ কমপেকশন করা হচ্ছেনা। দুর্বা ঘাস লাগানোর নামও নেই। কোথাও কোথাও অক্ষত বাঁধে বিশাল মাটির টুকরো রাখা হয়েছে। যাতে স্থানীয়দের চলতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, সোলেমানপুর থেকে ১৪ নম্বর প্রকল্পের দুই তৃতীয়াংশই অক্ষত ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন সরকারি বরাদ্দ অপচয় করতে এখানে প্রকল্প বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সামান্য মাটির প্রলেপ দিয়েই বিল হাতিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ নম্বর প্রকল্পটিকে স্থানীয়রা ‘প্রশাসনের পিআইসি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক জয়পুর গ্রামের এক কৃষক বলেন, সোলেমানপুর থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত বাঁধের বেশিরভাগই অক্ষত। তারপরও উচ্চতা লেভেল অনুযায়ী মাটি ফেলা হয়নি। কমপেকশনও বাকি। তাছাড়া ১৪ নম্বর প্রকল্পকে তিনি প্রশাসনের প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত করেন। জয়পুর গ্রামের প্রবীণ কৃষক মো. নূরুল আমিন বলেন, বাঁধগুলোর কাজ ঠিকটাকমতো হয়নি। দায়সারা কাজ চলছে। যেখানে বাঁধ দেওয়ার কথা না সেখানেও দিচ্ছে। এতে হাওরের ক্ষতি হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন কিছু অক্ষত বাঁধ রয়েছে স্বীকার করে বলেন, এ কারণে বরাদ্দ কম দেওয়া হয়েছে। তবে বাঁধের বিষয়ে কথা বলতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। সাইনবোর্ড কোথায় আছে বললে তিনি বলেন, গাছের আড়ালে ঢাকা পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এ সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি আবুল হাসেম বলেন, মাটির কাজ প্রায় শেষ। পাউবো’র ডিজাইন অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। কাজ যাতে যথানিয়মে হয় সেদিকে আমাদের নজরদারি রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন

দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন