সুনামগঞ্জ , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন চারজন জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত কবি ইকবাল কাগজী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আর নেই প্রাথমিকে এক হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম শৃঙ্খলা ফিরছে না টাঙ্গুয়ার হাওরে গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে : জেলা প্রশাসক শুভ জন্মদিন কবি ইকবাল কাগজী ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুলেন্সের আকৃতি দিয়ে চলছে রোগী পরিবহন শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা নিতে হবে মানা হচ্ছে না নির্দেশনা : টাঙ্গুয়ার হাওরে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলছেই

শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল
স্টাফ রিপোর্টার :: শাল্লায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে উপজেলার ৬টি হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতে ১১৫টি পিআইসি’র বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। অথচ কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙনের স্থানে কোনও প্রকল্প দেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, পানি বেড়ে যাওয়ার আগে যদি এখানে বিকল্প বাঁধ না দেয়া হয়, তাহলে একটি হাওরও সুরক্ষিত নয়। শুধু উপজেলার ছায়া, ভেড়াডহর, ভান্ডাবিলই নয় অরক্ষিত থাকবে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জসহ চার জেলার বোরো ফসল। গতকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পিটুয়ারকান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রাম শাল্লা ও পিটুয়ারকান্দি গ্রামের মধ্যে কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে গিয়ে পূর্বের মূল বাঁধের গোড়ায় চলে এসেছে। যা উপজেলার ভেড়াডহর হাওরে অবস্থিত। বৃষ্টি ছাড়াই এমন ভয়ঙ্কর ভাঙন দেখা দেয়ায় আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা। পিটুয়ারকান্দি গ্রামের কৃষক মঈন উদ্দিন বলেন, চৈত্র মাসের আগে এখানে বাঁধ না দিলে হাওর রক্ষা করা যাবে না। বৃষ্টি হলেই ভাঙন আর আটকানো যাবে না। এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বাঁধ দেয়ার বিষয়ে এখনও উদাসীন পাউবো। এ বিষয়ে উপজেলা কাবিটা স্কীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, আমি এসব নোট করে রাখছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা এসও রিপন আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এনিয়ে সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদুল হক বলেন, কুশিয়ারায় একটি জায়গায় ভাঙছে। উপজেলা কমিটি এখনও প্রকল্পের প্রস্তাব দেয়নি। প্রস্তাব পেলেই পিআইসি দেবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ