সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ , ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল শাল্লায় ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ, কুশিয়ারা নদীর পাড় কেটে সাবাড় হাওর বাঁচাও আন্দোলনের মানববন্ধন, বাঁধের কাজে অনিয়মের প্রতিবাদ বঙ্গবন্ধু সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের নাম পরিবর্তন শান্তিগঞ্জে দোকানসহ ৪ বসতঘর পুড়ে ছাই পদত্যাগ করলেন নাহিদ ইসলাম টাঙ্গুয়ার হাওরে শিকারির বিষটোপে ৫০০ হাঁসের মৃত্যু পথে যেতে যেতে পথচারী সতর্ক করে দিচ্ছি, নিজেরা কাদা ছোড়াছুড়ি করলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে : সেনাপ্রধান থানাভিত্তিক সন্ত্রাসীদের হালনাগাদ তালিকা হচ্ছে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু ছিলেন আলোকিত মানুষ সেচ নিয়ে দিশেহারা কৃষক, বোরো জমির মাটি ফেটে গেছে দিরাই বিএনপির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ হাওরে বৃক্ষরোপণের জায়গা পাচ্ছেনা পাউবো! বিএনপি’র ১৬ ইউনিটে আহ্বায়ক কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা নূরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান আওয়ামী দোসরদের ঘুম হারাম করে দেব : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রোজায় সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা সিলেটসহ আরো ৪ বিভাগে শুরু হলো সমতায় তারুণ্য প্রকল্প

শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল
স্টাফ রিপোর্টার :: শাল্লায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে উপজেলার ৬টি হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতে ১১৫টি পিআইসি’র বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। অথচ কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙনের স্থানে কোনও প্রকল্প দেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, পানি বেড়ে যাওয়ার আগে যদি এখানে বিকল্প বাঁধ না দেয়া হয়, তাহলে একটি হাওরও সুরক্ষিত নয়। শুধু উপজেলার ছায়া, ভেড়াডহর, ভান্ডাবিলই নয় অরক্ষিত থাকবে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জসহ চার জেলার বোরো ফসল। গতকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পিটুয়ারকান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রাম শাল্লা ও পিটুয়ারকান্দি গ্রামের মধ্যে কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে গিয়ে পূর্বের মূল বাঁধের গোড়ায় চলে এসেছে। যা উপজেলার ভেড়াডহর হাওরে অবস্থিত। বৃষ্টি ছাড়াই এমন ভয়ঙ্কর ভাঙন দেখা দেয়ায় আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা। পিটুয়ারকান্দি গ্রামের কৃষক মঈন উদ্দিন বলেন, চৈত্র মাসের আগে এখানে বাঁধ না দিলে হাওর রক্ষা করা যাবে না। বৃষ্টি হলেই ভাঙন আর আটকানো যাবে না। এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বাঁধ দেয়ার বিষয়ে এখনও উদাসীন পাউবো। এ বিষয়ে উপজেলা কাবিটা স্কীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, আমি এসব নোট করে রাখছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা এসও রিপন আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এনিয়ে সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদুল হক বলেন, কুশিয়ারায় একটি জায়গায় ভাঙছে। উপজেলা কমিটি এখনও প্রকল্পের প্রস্তাব দেয়নি। প্রস্তাব পেলেই পিআইসি দেবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ

অক্ষত বাঁধ নতুন দেখাতে দেওয়া হচ্ছে মাটির প্রলেপ