সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ‎হ্যান্ডবলে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন জামালগঞ্জের আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন ‎প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বিশ্বম্ভরপুরে এসআরবি-৯ এর অভিযানে ৩৩ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে জমজমাট নৌকা বাইচ সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কারে কচ্ছপের গতি পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' দেশে ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু : আসক
থমকে আছে হরিনাপাটি গ্রামের নদী ভাঙন প্রতিরোধের কার্যক্রম

নদী ভাঙ্গন রোধের দাবিতে সুরমা’র তীরে মানববন্ধন

  • আপলোড সময় : ২৫-০২-২০২৫ ১১:০২:০৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০২-২০২৫ ১১:০২:০৯ পূর্বাহ্ন
নদী ভাঙ্গন রোধের দাবিতে সুরমা’র তীরে মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টার :: মাঝপথে থমকে গেছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হরিনাপাটি গ্রামের সুরমা নদীর ভাঙন প্রতিরোধ কার্যক্রম। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে গ্রামবাসীর আবেদন-নিবেদনের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে হরিনাপাটি বাজার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হলেও পরবর্তীতে এ কার্যক্রম আর গতি পায়নি। ফলে সুরমা নদীর অব্যাহত ভাঙন গ্রামটিকে ক্রমে গিলে খাচ্ছে। এ অবস্থায় নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে সুরমা’র তীরে মানববন্ধন করেছেন গ্রামবাসী। সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল খালিক। বক্তব্য রাখেন হাজী আছদ্দর আলী, মো. শফিক মিয়া, মো. বদর উদ্দিন, আব্দুল, মো. মিজানুর রহমান, মো. শামছু মিয়া, মো. সুরুজ মিয়া, ব্যবসায়ী আব্দুছ ছাত্তার, মো. সাজিব, ইকবাল হোসেন, ইব্রাহিম, আকল মিয়া, সবদিল আলম, ছিদ্দিক আলী, বুলবুল, তালেব আলী, শমশের আলী, আলতাব আলী, মাসুক মিয়া, আব্দুুল মালিক, তাজুদ আলী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সুরমা নদীর ভাঙন দিন দিন ব্যাপক আকার ধারণ করছে। এই সমস্যার সমাধান না হলে আমাদের বেঁচে থাকাই অসম্ভব। গত ২০২২-২৩ অর্থ বছরে নদীতে কিছু জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বস্তা) ফেলা হলেও পরবর্তীতে আর ফেলা হয়নি। কী কারণে বন্ধ হলো তা আমরা জানি না। ক্রমে নদী ভাঙন প্রকট আকার ধারণ করছে। এ বছর আমরা আবার জেলা প্রশাসক মহোদয় সমীপে আবেদন করেছি। আমাদের দাবি, অবিলম্বে ভাঙ্গন এলাকায় বরাদ্দ দিয়ে প্রতিরোধ কার্যক্রম আবারো জোরদার করা হোক। গ্রামবাসী জানান, গ্রামের প্রাচীনতম বসতবাড়ি, ঐতিহ্যের নিদর্শন মসজিদ-মক্তব, প্রাইমারি স্কুল, এলজিইডি সড়ক ও বাজারটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ঘরবাড়ি, দোকানপাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন গ্রামের মানুষ। তাই পুনরায় প্রশাসনিক দপ্তরে দৌড়ঝাপ দিতে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ইং তারিখে জেলা প্রশাসক মহোদয় সুনামগঞ্জ বরাবর আবেদন-নিবেদন করেছেন গ্রামবাসী। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, হরিনাপাটি নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প আমাদের তালিকায় আছে। এখনও বরাদ্দ পাইনি। বরাদ্দ পেলে প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল

সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল