সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল
ফলোআপ

শাল্লায় স্কুলের ভালো ভবন ভাঙার বিষয়ে তদন্ত আজ

  • আপলোড সময় : ২৩-০২-২০২৫ ০১:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০২-২০২৫ ০১:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় স্কুলের ভালো ভবন ভাঙার বিষয়ে তদন্ত আজ
স্টাফ রিপোর্টার :: গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শাল্লা উপজেলার মাসিক সাধারণ সভায় দাউদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভালো একটি ভবন ভাঙার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় আসে। এরপরই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে থেকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার রায় ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু রায়হান যৌথভাবে এই তদন্ত করবেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে গত ৯ সেপ্টেম্বর আটগাঁও পাঁচহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরেকটি ভবন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন তাকে না জানিয়ে ভেঙে ফেলায় তিনি তৎকালীন ইউএনও এস.এম তারেক সুলতানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি কোন নিলামের আবেদন দেননি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন। তৎকালীন শিক্ষা অফিসার স¤পূর্ণ ব্যক্তিগত লাভে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা না দিয়েই ভবনটি বিক্রি করেছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এদিকে দাউদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিমাংশু শেখর রায় বলেন, আমি চিকিৎসা করতে দেশের বাইরে ছিলাম। আমি এসে দেখি বিদ্যালয়ের ভাবনটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। আমি তৎকালীন শিক্ষা অফিসার আব্দুস সালাম স্যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার মতামত না নিয়ে কেন স্কুলের ভালো ভবনটি বিক্রি করলেন। তিনি বলেছিলেন আমি নাকি কমিটিতে নাই। পরে আমি আর কিছু বলিনি। ভবনটির বয়স মাত্র ১২ বছর। এ ভালো ভবনটি রেখেই আরেকটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। যা না করলেও চলতো। এদিকে, এলাকার সচেতন মানুষের ভাষ্যমতে, এটি সরকারের অর্থের অপচয় করা হয়েছে। এ ধরনের আরও ভালো বিদ্যালয়ের ভবন ভাঙা হয়েছে। অথচ একেবারে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে নতুন ভবন দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহনলাল দাস বলেন, তদন্ত দিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া অধস্তন কর্মকর্তাদের দিয়ে কতটা স্বচ্ছ তদন্ত হবে - এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তদন্ত কাকে দিব এটা আমার বিষয়। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার রায় বলেন, আমাদের অফিসে কোন কাগজপত্র নাই। তবে যাদেরকে নিলাম দেয়া হয়েছে তাদের কাছে আছে বলে জানান তিনি। এসব বিদ্যালয় ভবন নিলামের কোনও বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে কিনা জানেন না তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স