সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্তভাবে পাসের আগে পর্যাপ্ত বিচার-বিশ্লেষণ করা হোক

  • আপলোড সময় : ০৩-০১-২০২৫ ১০:৪১:১১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০১-২০২৫ ১০:৪১:১১ পূর্বাহ্ন
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্তভাবে পাসের আগে পর্যাপ্ত বিচার-বিশ্লেষণ করা হোক
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে খসড়ায় অপব্যবহারের ঝুঁকি রয়েই গেছে বলে অংশীজন ও বিভিন্ন মহলের বিশেষজ্ঞরা অভিমত প্রকাশ করেছেন। বলা হচ্ছে, নতুন সাইবার অধ্যাদেশে পুরোনো আইনের মতোই পরোয়ানা, তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের বিধান রাখা হয়েছে, যেটি অবশ্যই উদ্বেগজনক। বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে মতপ্রকাশই অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতো। এ দুটি আইনে এমন সব ধারা ও বিধান সন্নিবেশিত ছিল যে, সেগুলো নাগরিকের অধিকার হরণ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ করার কাজে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী অভ্যুত্থানোত্তর সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্প্রতি প্রস্তুতকৃত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ায়ও এমন ধারা রাখা হয়েছে, যে-ধারার মাধ্যমে আইনটি অপব্যবহারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাব্যতা ক্ষমতাসীন ব্যক্তি ও পুলিশের হাতে ন্যস্ত হয়েছে। আসলে এটি আগের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের একধরনের পুনরাবৃত্তি। অধ্যাদেশটিতে অনেক শব্দের ব্যাখ্যা নেই, ভাষা দুর্বোধ্য ও বিভ্রান্তির। এতে অপব্যবহারের সুযোগ রয়ে গেছে। তাই দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষের মঙ্গলের কথা চিন্তা করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্তভাবে পাসের আগে পর্যাপ্ত বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স