সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ যাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি আজ সিলেট আসছেন রাষ্ট্রপতি ভোরে পাচার হয় ধোপাজান নদীর লুটের বালু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে কঠোর পদক্ষেপ - জি কে গউছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ বিএনপির জাতিসংঘ অধিবেশন : ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নামমাত্র চারা লাগিয়ে বরাদ্দ লুটপাটের আয়োজন উকিলপাড়ার পুকুর যেন ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধ ও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী শান্তিগঞ্জে নৌকা বাইচ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা বিশ্বম্ভরপুরে হিজল বাগান উজাড়, কাটা হলো ৬২টি গাছ ছাতকে ফোরলেন সড়কের কাজ উদ্বোধন করলেন এমপি কলিম উদ্দিন মিলন ‎জামালগঞ্জে বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফারুকীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ দিরাইয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ অধ্যাপক ন্যাথানায়েল এডউইন ফেয়ারক্রস সরলতার ভুবনে সজ্জন মানুষ সার পাচারে জড়িত ডিলাররা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে নিষিদ্ধ জালে বিপন্ন দেশি মাছ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা নৃত্যম নৃত্যালয়ের নৃত্য কর্মশালা সম্পন্ন

দেখার হাওরের প্রয়োজনীয় স্থানে নেয়া হয়নি বাঁধের প্রকল্প : উদ্বিগ্ন কৃষক

  • আপলোড সময় : ৩১-১২-২০২৪ ০৯:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-১২-২০২৪ ০৯:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
দেখার হাওরের প্রয়োজনীয় স্থানে নেয়া হয়নি বাঁধের প্রকল্প : উদ্বিগ্ন কৃষক
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের অন্তর্গত দেখার হাওরের ছলিমপুর গ্রাম সন্নিকটে বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত বছরও ওই এলাকায় ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ফসল রক্ষার প্রয়োজনীয় স্থানে বাঁধের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। তাই আগাম বন্যার হাত থেকে বোরো ফসলরক্ষায় ছলিমপুর এলাকায় বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। জানাযায়, এবার দেখার হাওরের একাংশ টলামারা স্লুইস গেইটের দুই পাশে মাটি ভরাটের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। হাওরপাড়ের ছলিমপুরের পাশে খৈয়াকাইমা, ভৈষা বিলের খাড়া, গছিলারা কালাডোয়ার নামক স্থানে ক্লোজার বন্ধকরণে এবার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই শত শত একর বোরো ফসল আগাম বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে। এই কারণে কৃষকরা এখনই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এবার আগাম বন্যা না হলেও সুরমা নদী থেকে উজানের ঢলের পানি এসে ভেসে যাবে দেখার হাওর। এই হাওরে মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানের পানি খাল দিয়ে প্রবেশ এবং সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে দেখার হাওরের এসব ফসল তলিয়ে যায়। তাই এবার আগাম বন্যায় বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা। দেখার হাওরের কৃষক আব্দুল আলী বলেন, এবার ফসল রক্ষা বাঁধ না হওয়ায় আমাদের বোরো জমি আগাম বন্যার ঝুঁকির মুখে থাকবে। বাঁধ নির্মাণের এখনো সময় আছে। দ্রুত বাঁধ নির্মাণের দাবি আমাদের। কৃষক সুজাত মিয়া বলেন, হাওরের এই স্থানে প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ হয়। এবার হলো না কেন। ভাবতেও অবাক লাগে। উজানের সামান্য পানিতে এখানকার ফসল তলিয়ে যায়। এসব ক্লোজার বন্ধ করা জরুরি প্রয়োজন। কৃষক সাহেব আলী বলেন, কম বেশি যেমন বরাদ্দ হোক। ফসলরক্ষা বাঁধ তো নির্মাণ প্রয়োজন ছিলো। এই বাঁধ জরুরিভিত্তিতে নির্মাণ প্রয়োজন। লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাওরের এসব ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ প্রতিবছর সুরমা নদীর পানি শহরের বিভিন্ন দিকে প্রবেশ করে এবং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের পুরো পানি এই হাওরে প্রবেশ করে। এতে হাওরের ফসল ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই এখানকার বাঁধ বা ক্লোজারগুলো বন্ধকরণ অতিজরুরি। পানি উন্নয়ন বোর্ড সদর উপজেলার এসও আতিকুর রহমান বলেন, এবার ছলিমপুরের পাশের একাধিক ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য কেউ উদ্যোগ নেননি। তাই এবার এসব বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন হয়নি। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, গত বছর সদর উপজেলায় দেখার হাওরের ছলিমপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ও ক্লোজার বন্ধকরণে কাজ হয়েছিল। এবার হাওর নিরাপদ রাখতে অন্যদিকে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ

ভূতুড়ে মামলা, গায়েবি মামলা যেন আর না হয়, হুইপ জি কে গউছ