সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন ‎প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বিশ্বম্ভরপুরে এসআরবি-৯ এর অভিযানে ৩৩ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে জমজমাট নৌকা বাইচ সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কারে কচ্ছপের গতি পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' দেশে ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু : আসক ‎জামালগঞ্জে বিষাক্ত রং ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রি, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : সিলেটে রাষ্ট্রপতি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস টাঙ্গুয়ার হাওরেও পাওয়া যাচ্ছে রাক্ষুসে সাকার মাছ তাহিরপুরে বন্যা পূর্ব প্রস্তুতি ও আগাম সাড়াদান মহড়া অনুষ্ঠিত ৮ বছর ধরে অকেজো কোটি টাকার সোলার প্যানেল জামালগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু

চলে গেলেন কবি হেলাল হাফিজ

  • আপলোড সময় : ১৪-১২-২০২৪ ০৯:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-১২-২০২৪ ০৯:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
চলে গেলেন কবি হেলাল হাফিজ
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: আমাকে দুঃখের শ্লোক কে শোনাবে? কে দেখাবে আমাকে দুঃখের চিহ্ন কী এমন, দুঃখ তো আমার সেই জন্ম থেকে জীবনের, একমাত্র মৌলিক কাহিনি। আমার শৈশব বলে কিছু নেই, আমার কৈশোর বলে কিছু নেই, আছে শুধু বিষাদের গহীন বিস্তার। এমন বিরহ-সংলাপে সাজানো দুর্দান্ত একটা কাব্যময় জীবন কাটানো কবি হেলাল হাফিজ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চলচ্চিত্র নির্মাতা কবিবন্ধু শবনব ফেরদৌসী বলেন, কবি যে হোস্টেলে থাকতেন, সেখানকার বাথরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয় এবং দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ২০২২ সালে কবি মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এরপর বন্ধু ইসমত শিল্পীর বাসায় কিছুকাল কাটিয়ে ফের একাকী জীবনে ফিরে যান তিনি। তাঁর চিরচেনা শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেলেই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কাটিয়ে গেলেন হেলাল হাফিজ। কবি ডায়াবেটিস, কিডনি আর গ্লুকোমার পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। হেলাল হাফিজের জন্ম ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য কেটেছে নিজের শহরেই। ১৯৬৭ সালে নেত্রকোণা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় রচিত ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতাটি তাঁকে প্রথম পরিচিতি পাইয়ে দেয়। এখনও মানুষের মুখে মুখে ফেরে হেলাল হাফিজের এই লাইনগুলো, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তাঁর শ্রেষ্ঠ সময়/ এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তাঁর শ্রেষ্ঠ সময়’। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ ‘যে জ্বলে আগুন জ্বলে’ কবিকে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এরপর বইটির ৩৩টির বেশি সংস্করণ বেরিয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প

দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প