সুনামগঞ্জ , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ অনলাইন জুয়ার ‘হটস্পট’ জাউয়াবাজার প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে নিহত ১ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন চারজন জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত কবি ইকবাল কাগজী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আর নেই প্রাথমিকে এক হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম শৃঙ্খলা ফিরছে না টাঙ্গুয়ার হাওরে গ্রাম আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে : জেলা প্রশাসক

‘বিনা ধান ২৬’ চাষে আশার আলো এক জমিতে ৩ ফসল

  • আপলোড সময় : ১৮-১১-২০২৪ ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-১১-২০২৪ ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন
‘বিনা ধান ২৬’ চাষে আশার আলো এক জমিতে ৩ ফসল
হাসান বশির :: স্বল্পমেয়াদি, উচ্চফলনশীল ও ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট প্রতিরোধী আমন ধানের জাত বিনা ধান-২৬ উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) একদল বিজ্ঞানী। এই ধান চাষের ফলে বছরে একই জমিতে ৩টি ফসল চাষ সম্ভব বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। গত ১৪ নভেম্বর এর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের সালামপুর এলাকায় কয়েকজন কৃষকের জমিতে প্রদর্শনী প্লট তৈরি করা হয়। প্রাথমিকভাবে এই স্বল্পমেয়াদি ধান রোপণে ফলন ভালো পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষক খলিল মিয়া বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে আমি ৩০ শতাংশ জমিতে বিনা ধান-২৬ রোপণ করেছিলাম। আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। স্বল্পমেয়াদী হওয়ায় আমরা আমন ধান তোলার পরপরই একই জমিতে বিনা ধান ২৬ এর ফলন ঘরে তোলার পর সরিষা চাষ, পর্যায়ক্রমে বাদাম চাষ করতে পারব। স্থানীয় অন্যান্য কৃষাণ-কৃষাণীরা জানান, স্বল্প মেয়াদে ফলন পাওয়ায় এই জাতের ধান রোপণ কৃষকদের জন্য ভালো খবর। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই জাতের ধানের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর শিষ সহজে হেলে পড়ে না। হেক্টর প্রতি প্রায় ছয় টন বা তার অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব। ১৪ নভেম্বর বিকেলে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিনা ধান ২৬-এর শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস উপলক্ষে আলোচনা পর্বে এ ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করেন কর্মকর্তাগণ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদ বিনা ময়মনসিংহ, ড. মো. ইকরামুল হক, পরিচালক (গবেষণা) বিনা ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিকুল আলম। বিনা উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শেফাউর রহমানের সভাপতিত্বে বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মানিকের সঞ্চালনায় স্থানীয় অন্যান্য অংশীজন বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথি ড. আবুল কালাম আযাদ বলেন, দিন দিন আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। স্বল্পমেয়াদি ও উচ্চফলনশীল ধানের জাত আমাদের চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয়। একই জমিতে বছরে চারটি ফসল চাষের ব্যবস্থা করতে হবে। এই আমন ধানের জাতটা এর জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে সর্বোচ্চ ফলন পেতে হলে জমিতে পর্যাপ্ত জৈব সার দিতে হবে যাতে করে জমির জৈব পদার্থের পরিমাণ ঠিক থাকে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স