সুনামগঞ্জ , বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ , ১৫ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ-জাপাসহ ১১ দলের কার্যক্রম নিয়ে করা রিট প্রত্যাহার ইসি গঠনে সার্চ কমিটির প্রধান হচ্ছেন বিচারপতি জুবায়ের চৌধুরী আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ভবিষ্যৎ জনগণ নির্ধারণ করবে : আসিফ নজরুল দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিন : কয়ছর এম আহমেদ প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়ে পরিপত্র জারি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সংবিধান বিষয়ে তাড়াহুড়া নয় : তারেক রহমান হাওর সুরক্ষা ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনের দাবি শহরে মা-ছেলে নৃশংসভাবে খুন শান্তিগঞ্জে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার যেকোনো উপদেষ্টাকে নামাতে ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট : সমন্বয়ক আবু নাসিম ৩২ উপজেলায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের চিন্তা সরকারের পুলিশকে ‘বিশেষ অভিযান’ জোরদারের নির্দেশ টাকা না পেয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকে তালা দিলেন গ্রাহকরা জাগো, শোষণ-নির্যাতনের সূতিকাগার গুঁড়িয়ে দাও এক সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ৪ গ্রামের মানুষ বালুমহালে লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এমপিওভুক্তির দাবিতে অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের মানববন্ধন জাতি গঠনের সুযোগ নষ্ট হলে দেশ পিছিয়ে যাবে : প্রধান উপদেষ্টা আ.লীগ আর রাজনীতি করতে পারবে কিনা সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ : সালাহউদ্দীন আহমেদ জামালগঞ্জে গাঁজাসহ নারী আটক

যেকোনো উপদেষ্টাকে নামাতে ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট : সমন্বয়ক আবু নাসিম

  • আপলোড সময় : ২৯-১০-২০২৪ ১২:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-১০-২০২৪ ১২:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন
যেকোনো উপদেষ্টাকে নামাতে ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট : সমন্বয়ক আবু নাসিম
স্টাফ রিপোর্টার :: দেশের যেকোনো উপদেষ্টাকে নামাতে শিক্ষার্থীদের মাত্র ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক আবু নাসিম। তিনি বলেন, যে অন্যায় করবে শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে কথা বলবে। দেশের যেকোনো উপদেষ্টাকে নামাতে আমাদের ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট। এই বিপ্লবের দুই মাসও পার হয় নাই। আপনারা আমাদের ঢং মনে করেন। আপনারা আমাদের গনেন না, অসহযোগিতামূলক আচরণ করতে চান। এই বাংলাদেশকে দেখে নেয়ার জন্য আমাদের ৩৬ দিনই যথেষ্ট। আমি প্রত্যেকটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সুনামগঞ্জ জেলার নেতা-কর্মী এবং সংগ্রামী-বিপ্লবী সাথী-বন্ধুদের বলতে চাই- আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী সুনামগঞ্জের প্রতিটা ইঞ্চি মাটির নিরাপত্তা, আমাদের সরকারের রাজস্ব নিশ্চিত করতে আবার মাঠে নামতে প্রস্তুত আছেন? পারবেন না? সুতরাং আমি আমার অত্যন্ত কাছের বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের কনসার্ন রেখে আপাতত কথা এখানে শেষ করলাম। কথা হবে সবার রাজপথে, আর কোনো ফরমাল মিটিংয়ে বা টেবিলে নয়। সোমবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ধোপাজান-চলতি নদীতে গেল ৩ মাসে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বালু ও পাথর লুট হয়েছে। সেই বালু পাথর লুটের সঙ্গে পুলিশ জড়িত বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপারের পদত্যাগও দাবি করেন তারা। তবে পুলিশ সুপার জানান, নদীর বালু লুটের সঙ্গে যে পুলিশ সদস্যরা জড়িত তাদের বিষয়ে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ধোপাজান-চলতি নদীতে হঠাৎ করেই ড্রেজার লাগিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন শুরু হয়। দফায় দফায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি অভিযান চালিয়ে এ অবৈধ বালু ও পাথর লুট বন্ধ করতে পারেনি। বালু লুট ঠেকাতে গত শুক্রবার বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর থানার উদ্যাগে চলতি নদীর প্রবেশমুখে বড় তিনটি বাল্কহেড দিয়ে জনসাধারণ চলাচলের রাস্তা রেখে প্রবেশমুখে ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। এতে বন্ধ হয় নদী লুটের সা¤্রাজ্য। পরে গত দুই দিনে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নদীর লুটের সঙ্গে জড়িত মূল হোতা বাবুল ও নিজামকে গ্রেফতার করে। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিক। তবে সভা সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হলেও সেখানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বক্তব্য রাখেন। তবে দুপুর ২টায় হঠাৎ করে সুনামগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের সময় বাধে বিপত্তি। সেখানে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলার পুলিশ প্রশাসনের যোগসাজশে নদী লুট হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। পরে সভায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার আ ফ ম আনোয়ার হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে হট্টগোল শুরু হয়। পরে সভায় উপস্থিত থাকা বিভাগীয় কেন্দ্রীয় দুই সমন্বয়ক মাইকে ঘোষণা দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার আ ফ ম আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি নতুন এই জেলায় যোগদান করেছি। নদী লুটের সঙ্গে যে পুলিশ সদস্যরা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর সিলেট বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিক বলেন, সুনামগঞ্জের নদী লুট বন্ধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা নদী লুটের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইজারা দেয়া বালু মহালগুলোতে বালু আছে কিনা তা আবারও খতিয়ে দেখা হবে। যারা বালু লুট করেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ধোপাজান-চলতি নদী থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধ করে নির্দেশনা জারি করে পরিবেশ অধিদপ্তর।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স