সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ , ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা প্রস্তাবিত বাজেট অধিক ঋণনির্ভর, অবাস্তবায়নযোগ্য ও লুটপাটের : জামায়াত

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি কত দূর?

  • আপলোড সময় : ২০-১০-২০২৪ ০২:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-১০-২০২৪ ০২:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি কত দূর?
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: লেবানন, ফিলিস্তিন - দুই এলাকার চিত্র এখন একই। দুটি স্থানেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) অভিযান চালাচ্ছে। গণহত্যার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এক বছর আগে গাজায় অভিযানের মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই যুদ্ধ এখন লেবাননে ছড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এসব যুদ্ধের শেষ কোথায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরবে কবে? বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করলে লেবানন ও গাজার যুদ্ধে একটি মিল আছে। দুটি স্থানেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে হামাস ও হিজবুল্লাহ - দুটি সশস্ত্র সংগঠন ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তাদের অস্ত্র, অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে ইরান। এ যুদ্ধে আরেকটি সশস্ত্র সংগঠন জড়িয়ে আছে - ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। তারাও ইরানের ঘনিষ্ঠ। তাদেরও পৃষ্ঠপোষকতা আসে ইরান থেকে। গত বছরের ৭ অক্টোবর হঠাৎ ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে এক হাজারের বেশি ইসরায়েলি নিহত এবং দুই শর বেশি ইসরায়েলিকে অপহরণ করা হয়। ওই দিনই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের হামলায় সেখানে নিহত হয়েছে ৬২ জন। এ নিয়ে ৪২ হাজার ৫০০ জন ফিলিস্তিনি মারা গেল এই যুদ্ধে। এ ছাড়া আহত হয়েছে প্রায় ১ লাখ মানুষ। যখন ফিলিস্তিনের গাজায় অভিযান শুরু হয়, তখন হামাসের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আর লোহিতসাগরে পশ্চিমাদের জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে হুতি বিদ্রোহীরা। এরপর পশ্চিমাদের অভিযানে হুতিরা খানিকটা শান্ত হয়ে আসে। তবে গত সপ্তাহেও হুতিদের স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া লেবাননে এখন পুরোদমে চলছে যুদ্ধ। আর গাজার যুদ্ধের মাঝেই ইসরায়েল হামাস ও হিজবুল্লাহর নেতাদের লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। এতে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া, ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা প্রাণ হারিয়েছেন আইডিএফের হাতে। এখন হামাসের নেতৃত্বও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে - এতে কোনো সন্দেহ নেই। গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক ভিডিওতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ শেষ হয়নি। এটি কেবল শেষের শুরু। অর্থাৎ গাজায় অভিযান এখনই শেষ হচ্ছে না। অন্তত নেতানিয়াহুর বক্তব্যে এটা স্পষ্ট। এদিকে লেবাননে স্থল অভিযান শুরুর দুই সপ্তাহ আগে থেকে নিয়মিত আকাশপথে হামলা শুরু করেছিল আইডিএফ। স্থল অভিযান ও বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা হাসান নাসরুল্লাহসহ শীর্ষ অন্তত ২০ জন কমান্ডার ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন। এই সংগঠনও দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আর লেবানন যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা চায়, ইসরায়েল এখন যেন ইরানে হামলা না চালায়। আর হামলা চালালেও পারমাণবিক ও তেলের স্থাপনায় যেন হামলা না চালায়। এদিকে গত শুক্রবার হামাস, হুতি ও হিজবুল্লাহ বলেছে, তারা সিনওয়ার হত্যার প্রতিশোধ নেবে। একই কথা বলেছে ইরানও। এরই মধ্যে সিরিয়ায়ও মাঝেমধ্যে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা হয়েছে ইরানেও। অর্থাৎ গাজা যুদ্ধ দিয়ে যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে, সেই তা ছড়িয়েছে লেবানন, ইয়েমেন, ইরান ও সিরিয়াতেও। আর ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বক্তব্য এবং ইসরায়েলপন্থী পশ্চিমাদের তৎপরতায় এটা প্রতীয়মান হচ্ছে, যুদ্ধ শিগগির থামছে না। ফলে প্রশ্ন থাকছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে কবে? এই যুদ্ধ কি আরও বিস্তৃত হবে? হলে সেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন

দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন