সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

৪ বছরেও মেরামত হয়নি সেতু, সীমাহীন ভোগান্তি

  • আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৪ ১২:৪০:২৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৪ ১২:৪০:২৩ অপরাহ্ন
৪ বছরেও মেরামত হয়নি সেতু, সীমাহীন ভোগান্তি
আশিস রহমান :: প্রায় চার বছর ধরে ধসে পড়ে আছে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের পুটিপুশি ব্রিজ। এখন পর্যন্ত এই ব্রিজটি মেরামত না করায় প্রতিনিয়তই সীমাহীন ভোগন্তির সম্মুখীন হচ্ছেন মানুষজন। ২০২০ সালের ২৯ জুলাই বন্যার পানির পানিতে পুটিপুশি ব্রিজটি সম্পূর্ণভাবে ধসে যায়। এরপর থেকে আজোবধি এটি আর মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুটিপুশি ব্রিজটি সুরমা নদীর পাড় সংলগ্ন নূরপুর সিএনজি স্টেশনের সাথে আমবাড়িবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সংযোগ স্থাপন করেছে। এই সড়ক পথ দিয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা, বোগলাবাজার, লক্ষ্মীপুর ও মান্নারগাঁও ইউনিয়নের একাংশের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জেলা সদরে আসা যাওয়া করে থাকে। সরেজমিনে দেখা যায়, ধসে পড়া ব্রিজের উপর নির্মিত নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি চালিত যানবাহনসহ শিক্ষার্থী, নারী, শিশু, বয়োবৃদ্ধ ও সাধারণ পথচারীদের পারাপার হচ্ছেন। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ নির্মাণকাজের সময় ব্রিজটি টেকসইভাবে নির্মাণ করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাব ছিল। যেকারণে নির্মাণের অল্পদিনের মধ্যেই সামান্য বন্যার পানির পানিতে ব্রিজটি ধসে পড়ে যায়। পথচারী মাসুক নাইম বলেন, এই ব্রিজ মেরামত না হওয়ায় এদিক দিয়ে যাতায়াত করা যে কতো কষ্ট তা বলে বুঝানো যাবেনা। সবসময় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা লিটন দাস জানান, ব্রিজটি ধসে পড়ে আছে চার বছর ধরে, অথচ দেখার কেউ নেই! সিএনজি চালক লিটন দাস ও রাসেল মিয়া বলেন, ব্রিজ ধসে পড়ার পর থেকে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি পারাপার করছি। কখন জানি কোন দুর্ঘটনা ঘটে, সবসময় আতঙ্কে থাকি। আমাদের এই দুর্দশা দেখার কেউ নেই। এই ব্রিজটি দ্রুত নির্মানের দাবি জানাই। দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আম্বিয়া আহমদ জানান, ধসে পড়া পুটিপুশি ব্রিজের নির্মাণকাজ খুব শিঘ্রই শুরু হবে। ইতোমধ্যে ব্রিজটির টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। পিসি গার্ডার সম্বলিত এই ব্রিজের বরাদ্দ ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স