সুনামগঞ্জ থেকে ২ আসামি গ্রেপ্তার
সিলেটে মাজার-দানবাক্স নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৬:২৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৬:২৫ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেটের মোগলাবাজারে মাজার ও দানবাক্সের নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক যুবক নিহতের ঘটনায় সুনামগঞ্জ থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ¯েপশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)। ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দুটি পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হল সিলেটের মোগলাবাজার থানার শিলাম শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদ (৩৩) ও ইয়াসিন আহমদ ফাহিম (৩৩)। তারা মামলার ৩ ও ৪ নম্বর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি বলে জানিয়েছে এসআরবি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর থানার তেঘরিয়া মহল্লা এবং দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে সাহেববাড়িঘাট এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৯ সদর কোম্পানি ও সুনামগঞ্জের সিপিসি-৩-এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি’র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিলেটের মোগলাবাজার থানার শিলাম শেখপাড়া এলাকায় স্থানীয় শাহ তৈয়ব ছয়লানি মাজার ও মসজিদের ওয়াকফ এস্টেটের নিয়ন্ত্রণ এবং দানবাক্সের টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে নিহত শাহ মাহির রাসেলের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত ২১ আগস্ট জুমার নামাজের সময় নিহতের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের দাদা শাহ আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় মামলা করেন। পরে স্থানীয় মুরব্বিদের মধ্যস্থতায় বিরোধ নি®পত্তির আশ্বাসে আসামিরা আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।
এরপর গত ২ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে রাসেল ওষুধ কেনার জন্য শিলাম চক বাজারে গেলে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ঘেরাও করে দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এসআরবি-৯ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোগলাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ