সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ , ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সরকারকে ঘুমাতে দেব না, ধাক্কা দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে দেব : জামায়াত আমির ইজারাবিহীন মরা চেলা নদীতে বালু লুটের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ইজারাবিহীন মরাচেলা নদীতে হাজারো ড্রেজারের তান্ডব, প্রতিদিন লুট হচ্ছে কোটি টাকার বালু সাঁতারে আঞ্চলিক পর্যায়েও জয়ী দিরাইয়ের আমেনা একজন আদর্শ চামচার বৈশিষ্ট্য:প্রফেসর মোঃ শাহাদত হোসেন ছাতকে চারলেন সড়কের মাটি খুঁড়তে গিয়ে গ্যাসের মেইন লাইনে আগুন বর্মাউত্তর গ্রামের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জয়নগরে সর্বস্তরের এলাকাবাসীর জরুরি সভা ১৪ ঘণ্টা রুমে আটকা ৫ ছাত্রী, দরজা ভেঙে উদ্ধার লেখালেখি কর্মশালায় জেলা প্রশাসক : লিখতে হলে পড়তে হবেই সুনামগঞ্জে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শিক্ষাবিদ দীপক রঞ্জন দাশ প্রচারবিমুখ আলোকিত মানুষ সাত বছর ধরে রায় কার্যকরের অপেক্ষায় মা ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন নজরদারি ফাঁকি দিয়ে কৌশলে বালু লুট জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাত করা হবে : চিফ হুইপ ডেঙ্গুতে ৯ মাসে মৃত্যু দাঁড়াল ২৫০ জনে

পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-১০-২০২৬ ০১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন
পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়ে আসছে। ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নগর উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর নগর জীবন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিতকরণ ও সুষম নগর উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থান এবং এমন নগর ও বসতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন- যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা, সুস্থ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পায়। বিশ্ব বসতি দিবস আমাদের সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বজনীন বাসস্থান নিশ্চিত করা এবং টেকসই নগরায়নের মাধ্যমে সবার জন্য বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা আজ আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নি¤œ আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বস্তিবাসী মানুষের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ‘সবার জন্য বাসস্থান’কে শুধু একটি ঘরের নিশ্চয়তা হিসেবে নয়, বরং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বিশেষ করে নি¤œ আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে। পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে একটি মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইজারাবিহীন মরা চেলা নদীতে বালু লুটের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

ইজারাবিহীন মরা চেলা নদীতে বালু লুটের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ