বাংলা একাডেমির সদস্য পদ লাভ করলেন কবি আহমেদ সৈয়দ শাহনুর
- আপলোড সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৯:২৪:৩৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৯:২৪:৩৫ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর (বুধরাইল) গ্রামের সন্তান কবি ও কথাসাহিত্যিক আহমেদ সৈয়দ শাহনুর বাংলা একাডেমির সদস্য পদ লাভ করেছেন। দীর্ঘদিনের সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীল লেখালেখি ও বাংলা ভাষা সাহিত্যের প্রতি অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এ সদস্যপদে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত আহমেদ সৈয়দ শাহনুর বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লিডসে বসবাস করছেন। প্রবাসজীবনে থেকেও বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ ও গবেষণাধর্মী লেখার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সাহিত্যাঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন এই লেখক।
তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৯টি। এসব গ্রন্থে মানবিক মূল্যবোধ, সমাজবাস্তবতা, ইতিহাস ঐতিহ্য, প্রেম, জীবনসংগ্রাম এবং প্রবাসজীবনের নানা অভিজ্ঞতা বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। তার কাব্যগ্রন্থ ‘ক্ষণিকের সুখ’ পাঠকদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাহিত্য সাময়িকী ও সংবাদপত্রে নিয়মিত লিখে আসছেন তিনি।
জগন্নাথপুরের প্রত্যন্ত জনপদ থেকে উঠে এসে দেশের সাহিত্যাঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন আহমেদ সৈয়দ শাহনুর। শৈশব কৈশোরের শিকড় সুনামগঞ্জে হলেও কর্ম ও সাহিত্যচর্চার বিস্তৃতি এখন দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাজ্যসহ আন্তর্জাতিক পরিসরেও ছড়িয়েছে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার প্রসারে প্রবাসে থেকেও তার স¤পৃক্ততা রয়েছে।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি জাতীয় কবিতা পরিষদের কর্মকা-ের সঙ্গেও স¤পৃক্ত রয়েছেন তিনি। বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিম-লে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন কর্মকা-ে যুক্ত থাকার কথা জানা গেছে।
আহমেদ সৈয়দ শাহনুরের বাংলা একাডেমির সদস্য পদ লাভের খবরে সুনামগঞ্জের সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দেশ বিদেশের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আহমেদ সৈয়দ শাহনুর বলেন, বাংলা একাডেমির সদস্য পদ লাভ আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। আমি এ স্বীকৃতিকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দেওয়ার প্রেরণা হিসেবে দেখছি। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চাই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ