পৈন্ডুপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : নির্ধারিত সময়ে স্কুলে অনুপস্থিত ৩ শিক্ষক
- আপলোড সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ১১:১৮:২৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৭-০৯-২০২৬ ১১:১৮:২৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পৈন্ডুপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক। যথাসময়ে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা বসে থাকলেও প্রয়োজনীয় শিক্ষকের অভাবে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অনুপস্থিত শিক্ষকেরা হলেন- বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ গোপাল সরকার, সহকারী শিক্ষক প্রমা রানী তালুকদার, সহকারী শিক্ষক রজত সরকার।
সরেজমিনে সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে কেবল সহকারী শিক্ষক সেবা রানী সরকার উপস্থিত রয়েছেন। এসময় বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকলেও বাকি শিক্ষকদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মী এসেছেন এমন খবর পেয়ে তাড়াহুড়ো করে সাড়ে ১০টায় এসে উপস্থিত হন সহকারী শিক্ষক রজত সরকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন বিদ্যালয়ে আসেননি এমন প্রশ্নের জবাবে সহকারী শিক্ষক রজত সরকার বলেন, বর্ষায় নৌকায় আসতে হয়, ইঞ্জিন নষ্ট হয়েছে তাই আসতে দেরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা প্রায় প্রতিদিনই নির্ধারিত সময় সকাল ৯টায় উপস্থিত হন না। নির্ধারিত সময়ের অন্তত দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। এমনকি অধিকাংশ দিন বেলা ৩টার মধ্যেই বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান। এতে ব্যাহত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম।
অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেবা রানী সরকার বলেন, আমি সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ে এসেছি। প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ কোথায় আছেন তা এখনো জানি না, স্যারের সাথেও যোগাযোগ হয়নি। হয়তো সকালে বৃষ্টি থাকার কারণে তাদের আসতে দেরি হচ্ছে।
এদিকে, মুঠোফোনে সহকারী শিক্ষক প্রমা রানী তালুকদার ছুটিতে আছেন বলে দাবি করা হলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তা জানেন না। ছুটির কোনো আবেদন বা নথিপত্রও দেখাতে পারেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ গোপাল সরকার মুঠোফোনে জানান, সকালে নৌকা মিস হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ে আসতে পারিনি। সহকারী শিক্ষক প্রমা রানী আমাকে মৌখিকভাবে বলেছিলেন ছুটিতে যাবেন, তবে লিখিত আবেদন দিয়েছেন কি না তা আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস জানান, বিদ্যালয়ে যথাসময়ে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ