সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

সুরমা নদীর ভাঙন অব্যাহত : অস্তিত্ব সংকটে বাউসা-কেশবপুর গ্রাম

  • আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৭:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৭:২৫:৩২ পূর্বাহ্ন
সুরমা নদীর ভাঙন অব্যাহত : অস্তিত্ব সংকটে বাউসা-কেশবপুর গ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার::
ছাতক উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাউসা-কেশবপুর গ্রামে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে সুরমা নদীর ভাঙন। একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, গাছপালা ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের মুখে এখন হুমকিতে রয়েছে নদীতীরবর্তী বসতি, সড়ক ও আরও কয়েকটি স্থাপনা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে সুরমা নদীর প্রবল স্রোত ও ঢেউয়ের আঘাতে প্রতিদিনই নতুন করে নদীতীর ভাঙছে। বছরের পর বছর ধরে চলা ভাঙনে বাউসা ও কেশবপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে। নদীভাঙনে জমি ও বসতভিটা হারিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কেউ দিনমজুরি, কেউ রিকশা চালিয়ে কিংবা শহরে গিয়ে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা বলেন, কয়েক বছর আগেও যেখানে সবুজ ধানের ক্ষেত, ফলের বাগান, বসতঘর, খেলার মাঠ ও ধর্মীয় স্থাপনা ছিল, সেখানে এখন নদীর পানি। ভাঙনের কারণে পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে নদীতীরবর্তী সড়কের বিভিন্ন অংশও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিও নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। কেশবপুর ও বাউসার বাসিন্দারা বলেন, বছরের পর বছর নদীভাঙনে তাদের ঘরবাড়ি, জমি ও স্থাপনা হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন নদীর পাড় ভাঙার শব্দে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। কখন নিজের বসতভিটাটিও নদীতে চলে যায়, সেই শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের। তাদের দাবি, ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ, নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিতে থাকা জনবসতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহি উদ্দিন বলেন, সুরমা নদীর ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে এবং করণীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা