জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় সভা
- আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০৯:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০৯:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠাভ্যাস নিশ্চিত করা এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তাহব্যাপী শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় সভা শুরু হয়েছে। তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণির অভিভাবকদের পৃথক অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সভা ২ আগস্ট থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিয়ে কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ. কে. আজাদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা) নিখিল চন্দ্র দেবনাথ, সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতি) অতেন্দ্র চন্দ্র সরকার, সহকারী শিক্ষক ও শ্রেণি শিক্ষক (দিবা) ফারুক আহমেদ, সহকারী শিক্ষক (প্রভাতি) ফয়জুর রহমান, সহকারী শিক্ষক (প্রভাতি) আব্দুল মান্নান এবং পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষক (প্রভাতি) মো. শামসুদ্দিন।
পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষক (দিবা) মো. সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক অনুকূল চন্দ্র সরকার, সহকারী শিক্ষক ও হোস্টেল সুপার মো.সাদ্দাম হোসেন। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক দেওয়ান তাছাদ্দুক রাজা চৌধুরী, জনতা চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মো. মশিউর রহমান, আব্দুল আজিজ, সেলিনা বেগম, সাইফুর রহমানসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে বিদ্যালয় ও পরিবারের সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, বাসায় পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার রোধ, নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের বিভিন্ন মতামত, সমস্যা ও পরামর্শ মনোযোগসহকারে শোনেন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, সপ্তাহব্যাপী এ মতবিনিময় সভার মাধ্যমে প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অগ্রগতি মূল্যায়ন, পিছিয়ে পড়ার কারণ নির্ণয় এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি কার্যকর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ