সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অধ্যাপক ড. মৃদুলকান্তি চক্রবর্তীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিদ্যুৎ ভোগান্তি কাটবে কবে? সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড: ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দাবি করে মোহাম্মদপুরের প্রস্তাবিত ভোটকেন্দ্র বাতিলের আবেদন “যে তার সন্তানদের মেরে ফেলে সে বাবা না, তার ফাঁসি হোক” মার্চে শুরু, মে-তে চূড়ায়, বজ্রপাতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে হাওরাঞ্চল শাল্লায় যুবলীগ নেতা অরিন্দম চৌধুরী গ্রেপ্তার দিরাইয়ে সেলাই মেশিন বিতরণ দিনে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি, রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দুই সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে নিখোঁজের নাটক সাজান বাবা ‎সাংবাদিক বায়েজীদের পিতৃবিয়োগে সুনামকন্ঠ পরিবারের শোক দোয়ারাবাজারের ডালিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে ৮ বছরেও পায়নি বিদ্যুৎ সংযোগ ‎সাংবাদিক বায়েজীদের বাবার ইন্তেকাল সদরে সাফল্যের জোয়ার, অন্যান্য উপজেলায় ভাটা, পাসের হার ৫৩.৮৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৩ জন সুনামগঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেছে ৫৩ জনের ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী “সবচেয়ে মিষ্টি গান সেগুলোই, যা সবচেয়ে দুঃখের কথা বলে” মিয়ারচর খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন দিরাইয়ে এসএসসিতে সেরা বালিকা বিদ্যালয়, পিছিয়ে রয়েছে রফিনগর হাওরাঞ্চলে গরু চুরির হিড়িক, এক মাসে অর্ধশতাধিক গরু চুরি
হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর শতক দেখল সিলেট বিভাগ

মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর

  • আপলোড সময় : ২০-০৭-২০২৬ ০৯:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৭-২০২৬ ০৯:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন
মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর
স্টাফ রিপোর্টার::
সিলেট বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গে ৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ২৮৭ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যা বিভাগের মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি।
সর্বশেষ রোববার (১৯ জুলাই) ছাতক উপজেলার ৯ মাস বয়সী আবু সাঈদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। মারা যাওয়া আবু সাঈদ ছাতক উপজেলার সাহাব উদ্দিনের ছেলে। সে সিলেট নগরের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত বিভাগে ৫৪৪ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৪ জনের মৃত্যু হলেও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ। জেলায় আক্রান্ত হয়েছে ২৮৭ জন এবং মারা গেছে ৪৫ শিশু। এরপর সিলেট জেলায় আক্রান্ত ১৮০ জন, মৃত্যু ৩৫ জন; হবিগঞ্জে আক্রান্ত ৫৫ জন, মৃত্যু ৮ জন এবং মৌলভীবাজারে আক্রান্ত ২২ জন, মৃত্যু ১১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, দুর্গম হাওরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে বিলম্ব, অভিভাবকদের অসচেতনতা এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি থেকে অনেক শিশুর বাদ পড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি ছড়িয়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪৫ জন এবং অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ জন ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর শিকার হচ্ছে ১ থেকে ২ বছর বয়সী শিশু। এই বয়সে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকায় এবং অনেক শিশু সময়মতো টিকা না পাওয়ায় তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও তীব্র অপুষ্টিজনিত জটিলতায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, সন্তানসম্ভবা মায়েদের হামের টিকা দেওয়া যায় না। তবে যারা ভবিষ্যতে সন্তান নিতে চান, তারা আগে থেকেই হামের টিকা নিলে নবজাতকও সুরক্ষা পাবে। তিনি জানান, বর্তমানে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও সচেতনতা ও টিকাদানের আওতা বাড়ানো জরুরি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিদ্যুৎ ভোগান্তি কাটবে কবে?

বিদ্যুৎ ভোগান্তি কাটবে কবে?