সুনামগঞ্জ , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রফেসর পরিমল কান্তি দে : মানুষ গড়ার কারিগর, মানুষেরই আপনজন সুরমা নদীর তীর যেন ‘আমন চারার হাট’ : স্বাবলম্বী শত শত কৃষক কাজ হস্তান্তরের আগেই ব্রিজের এপ্রোচে ধস ও ফাটল, অনেক জায়গায় লাগানো হয়নি ব্লক একই ব্যক্তি পেয়েছেন চার লটের ইজারা, টেন্ডার ও গাছের মূল্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ১৭৬ বছরের পুরোনো ‘ইংলিশ টিলা’ ৬৪ জেলার তদারকি-সমন্বয়ের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ, সুনামগঞ্জের দায়িত্ব পেলেন হুইপ জি কে গউস নেপালে ভয়াবহ বন্যা, মৃত্যু ছাড়াল ৩৬০, এখনও নিখোঁজ ১৪০০ মানুষ অনিয়ম, অবহেলা, শিক্ষক সংকটে রুদ্ধ শিক্ষা টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত : অবৈধ জাল ও সরঞ্জাম ধ্বংসের নির্দেশ নতুন আঙ্গিকে মাষ্টার ওয়ান টেইলার্স এন্ড ফেব্রিকসের উদ্বোধন সুনামগঞ্জে সিজারের সময় নবজাতকের গলা কাটার অভিযোগ, আটক ১ ‎দ্রোহের কবি নজরুল: গুলশান আরা রুবী ‎জামালগঞ্জে ৩৯৮ পিস ভারতীয় শাড়ি ও স্পিডবোট জব্দ, দুজনকে আসামি করে মামলা টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কড়া ব্যবস্থা: অবৈধ জাল ও সরঞ্জাম ধ্বংসের নির্দেশ ‎সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের সভাপতি হেলাল, সম্পাদক হাসান ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জসনে জুলুছ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের অভিষেক ও দায়িত্ব হস্তান্তর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অবৈধ যাত্রায় জিরো টলারেন্স, মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে অগ্রাধিকার পাবে সুনামগঞ্জ: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে সরকার, লাগবে না কোনো খরচ: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

খাসিয়ামারা নদীর ভাঙন রোধে জরুরি ও স্থায়ী উদ্যোগ প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ১৬-০৭-২০২৬ ০১:৩৬:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৭-২০২৬ ০১:৩৬:১৪ পূর্বাহ্ন
খাসিয়ামারা নদীর ভাঙন রোধে জরুরি ও স্থায়ী উদ্যোগ প্রয়োজন
দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের টেংরাটিলা উত্তর-পশ্চিম, আলীপুর ও টিলাগাঁও গ্রামে খাসিয়ামারা নদীর ভয়াবহ ভাঙন নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। শতাধিক পরিবার আজ নিজ ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। এটি শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়; সময়মতো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেও এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে প্রকট আকার ধারণ করেছে। নদীভাঙন বাংলাদেশের একটি চিরায়ত সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ছোট-বড় নদীগুলোতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পায়, ফলে নদীতীর ভাঙনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। খাসিয়ামারা নদীর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। ভিটেমাটি হারানো মানে শুধু একটি জমির টুকরো হারানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের জীবিকা, স্মৃতি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ। কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে গেলে খাদ্য উৎপাদন কমে, পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। তাই নদীভাঙনকে শুধু অবকাঠামোগত সমস্যা হিসেবে নয়, একটি মানবিক ও সামাজিক সংকট হিসেবেও বিবেচনা করতে হবে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিওব্যাগ ও ব্লক ফেলার মতো অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নদীতীর সংরক্ষণে টেকসই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত জরিপ স¤পন্ন করে প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। খাসিয়ামারা নদীর ভাঙন রোধে আর বিলম্বের সুযোগ নেই। প্রতিদিনের ভাঙন মানেই নতুন করে মানুষের স্বপ্ন ও জীবিকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়া। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যদি এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে, তবে তিনটি গ্রামসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা রক্ষা করা সম্ভব হবে। আমরা আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং নদীভাঙনে অসহায় মানুষের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
একই ব্যক্তি পেয়েছেন চার লটের ইজারা, টেন্ডার ও গাছের মূল্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

একই ব্যক্তি পেয়েছেন চার লটের ইজারা, টেন্ডার ও গাছের মূল্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন