মাদকপ্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারিকে নিয়ে ফেসবুকে মাদক কারবারির বিষোদগার
- আপলোড সময় : ১৬-০৭-২০২৬ ০১:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-০৭-২০২৬ ০১:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটির সাধারণ স¯পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মো. সেলিমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষোদগার করেছে একই গ্রামের মাদককারবারি রেজাউল করিম। ৮০ বোতল মদসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে রেজাউল জেল থেকে বেরিয়ে গতকাল বুধবার প্রতিবাদকারীদের মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি ধমকি দিচ্ছে। রেজাউলের মাদক কারবারের বিরোধিতা করায় এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়াতে সহযোগিতা করায় মো. সেলিমসহ মাদকপ্রতিরোধ কমিটি ও প্রতিবাদকারীদের হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফেসবুকে মো. সেলিমের নাম উল্লেখ করে তাকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে বিষোদগার করে স্ট্যাটাস দেয় রেজাউল। তার স্ট্যাটাসে যারা মন্তব্য করেছেন তাদের সবাই মো. সেলিমকে প্রতিবাদকারী, সাহসী ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে রেজাউলকে তুলোধুনো করেন। রেজাউলের লেখার পক্ষে একজনও কোন মন্তব্য করেননি। সবাই সেলিমের পক্ষ নিয়ে তাকে মাদককারবার ও সেবনবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে জানান।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেওয়ায় মো. সেলিম তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য ইয়াবা সেবন ও ইয়াবার ডিপোর ভিডিও ও ছবি কিছু দিন আগে ভাইরাল হয় রেজাউলের। গ্রামের সালিশে সে নিজেই মাদককারবারি হিসেবে স্বীকার করে মুচলেকা দেয়। ‘মাদক কারবারি নয়’ মর্মে ইউনিয়ন পরিষদের সার্টিফিকেট নিয়ে মাদক কারবার করায় তা প্রমাণ পেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তার সার্টিফিকেট বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদ। প্রায় ১০ দিন আগে ৮০ বোতল মদসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে অনেককেই হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেছেন।
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মঈনুল হক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি অভিযুক্ত রেজাউল অনেককে হুমকি দিচ্ছে। তার দ্বারা মাদকবিরোধী কোন লোক ও নীরিহ লোক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে আমাদের দৃষ্টি রয়েছে। শীঘ্রই আমরা বসে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ