সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ , ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট একজনের মৃত্যুদন্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ দাবদাহে যুক্তরাজ্যে ২৭০০ জনের প্রাণহানি খাসিয়ামারা নদী গিলছে ভিটেমাটি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক সভা একটি দল জনগণের বিপক্ষে ছিল, তাদের রাজাকার বলা হয় : সুলতান সালাউদ্দিন জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো বাধাই বিএনপিকে থামাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে পিতা-পুত্রের পাল্টাপাল্টি মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি আড়াই কোটি টাকার ৪ নৌ-অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, একদিনও সেবা পাননি হাওরবাসী বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, মামলা-হামলায় থমথমে শ্যামনগর গ্রাম মধ্যনগরে বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল এমপি হান্নান মাসউদের জন্য মাঝ নদী থেকে ঘাটে ফেরানো হলো ফেরি সবচেয়ে বেশি বৃত্তি সদরে, কম শাল্লায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জেলায় সেরা জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে ৮ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের আলোচনায় জেলা প্রশাসক, জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে উজানের ঢলে বেড়েছে সুরমা নদীর পানি সাত জেলায় বন্যায় ৫১ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ
দোয়ারাবাজারে ভাঙনের মুখে তিন গ্রাম, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

খাসিয়ামারা নদী গিলছে ভিটেমাটি

  • আপলোড সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ০৯:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ০৯:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন
খাসিয়ামারা নদী গিলছে ভিটেমাটি
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী::
দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে খাসিয়ামারা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে টেংরাটিলা উত্তর-পশ্চিম, আলীপুর ও টিলাগাঁও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে বসতভিটা ও ফসলি জমি। তিন গ্রামের শতাধিক পরিবার এখন চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র ¯্রােতে প্রতিদিনই নদীর তীর ধসে পড়ছে; ভাঙনের মুখে অনেক বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। বর্ষায় পানির প্রবাহ বাড়ায় ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বারবার জানানো সত্ত্বেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা নদীতে বিলীন হচ্ছে। ভুক্তভোগী মনির হোসেন ও মো. আব্দুল করিম জানান, নদী প্রতিদিন জমি-বসতভিটা গ্রাস করছে; যেকোনো সময় ঘরবাড়ি ভেঙে যেতে পারে, তাই দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি জানান তাঁরা। আরেক বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, নদীতীর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে তিনটি গ্রাম রক্ষা পাবে। এলাকাবাসীর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ব্লক ফেলা, জিওব্যাগ স্থাপন বা টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হলে গ্রাম তিনটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। তাঁরা পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন বলেন, সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স