শিক্ষকের ছবি ব্যবহার ও নেশাগ্রস্ত উল্লেখ করে ফেসবুকে পোস্ট, থানায় অভিযোগ দায়ের
- আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ০৮:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ০৮:১৩:১৪ পূর্বাহ্ন
ধর্মপাশা প্রতিনিধি ::
ধর্মপাশা উপজেলার দেওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের সহকারী শিক্ষকের (৩৯) ছবি ব্যবহার করে ও তাকে মাদকাসক্ত হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) পোস্ট করার অভিযোগ এনে ওই শিক্ষক বাদী হয়ে অভিযুক্ত দেওলা গ্রামের রফিকুল ইসলাম রফিক (৩৩) সহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে বৃহ¯পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় ধর্মপাশা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী শিক্ষক বলেন, বুধবার সকাল ১১টার দিকে পাঠদানরত অবস্থায় ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলার স্টোররুমের বেঞ্চে শুয়ে আমি কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই। বেঞ্চের ওপর শুয়ে বিশ্রাম নেওয়ার দৃশ্যটা গোপনে দেওলা গ্রামের রোকন মিয়া (৩২) মুঠোফোনে ধারণ করেছেন বলে জানতে পারি। পরদিন বৃহ¯পতিবার স্কুলে গিয়ে জানতে পারি, আমি অসুস্থ অবস্থায় বেঞ্চে শুয়ে থাকার ছবিটাকে ব্যবহার করে এবং আমাকে নোশাগ্রস্ত উল্লেখ করে দেওলা গ্রামের রফিকুল ইসলাম রফিক (৩৩) নামের এক যুবক ফেসবুকে তার নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেছেন। এতে আমার পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সুনাম ক্ষুণœ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি।
মোবাইলে ছবি তুলার কাজে নিয়োজিত রোকন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, আমি দেওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। আমার প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন এমন ছবি পেয়ে সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় কিছু লিখে আমি আমার আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করেছি। তিনি আরও বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদকসেবনে নিয়োজিত থাকাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় এসে লোকজনদেরকে জিজ্ঞাসা করলেই বিস্তারিত জানতে পারবেন। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে আমি আমার আইডি থেকে পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছি।
দেওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মর্জিনা বেগম বলেন, সহকারী শিক্ষক মাদকাসক্ত নন। তাকে জড়িয়ে ফেসবুকে যে ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে তা অত্যন্ত মানহানিকর ও ভিত্তিহীন। বিষয়টি আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারকে জানিয়েছি।
ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি